কুমিল্লার মহাসড়কের ১৫টি ফুটওভার ব্রিজে পা দেয় না পথচারীরা। ফুটওভার ব্রিজগুলো অলস পড়ে রয়েছে। এদিকে ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা। বাড়ছে প্রাণহানি।
হাইওয়ে পুলিশের একটি সূত্র মতে,পাঁচ ভাগ মানুষও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করেন না। এছাড়া দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ৩০ ভাগই পথচারী। হাইওয়ে পুলিশের দাবি তাদের জনবল কম। কম জনবল দিয়েই তারা জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন।
সূত্র মতে,দুর্ঘটনা রোধ ও যানজট কমাতে কুমিল্লার ১০৫কিলোমিটার এলাকায় ১৫টি ফুটওভার ব্রিজ স্থাপন করা হয়। সেগুলো দাউদকান্দি বিশ্বরোড, শহীদনগর, গৌরিপুর, ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনার মাধাইয়া, চান্দিনা, সেনানিবাস, কোটবাড়ি বিশ্বরোড, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড,সদর দক্ষিণের সুয়াগাজী, চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম বাজারে দুইটি,মিরশ্বানি ও পদুয়া রাস্তার মাথায়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,পদুয়ার বাজার ছাড়া খুব কম স্থানে মানুষ ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করছে। অধিকাংশ ফুটওভার ব্রিজে রাজনৈতিক নেতাদের ব্যানার ঝুলছে। ব্রিজের নিচে দিয়ে মানুষ দৌড়ে মহাসড়ক পার হচ্ছে।
পরিবেশ সংগঠক মতিন সৈকত বলেন, ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই ক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশকে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে দেখা যায়। তবে এই পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল চৌধুরী টিপু বলেন,খুব কম মানুষ ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করেন। মাঝের ডিভাইডার উচু করে দিলে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার বাড়বে। আমরা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করার জন্য পথচারীদেও উদ্বুদ্ধ করছি। এসপি স্যারসহ হাইওয়ের পাশের বিভিন্ন স্কুলে সচেতননতামূলক সভা করেছি।
হাইওয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন,ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের ব্যস্ততম মহাসড়ক। এর পাশে রয়েছে বাজার,কল-কারখানা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবসতি। আমাদের জনবল কম। তা দিয়ে লাখ লাখ জনবলকে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা কঠিন। তবু আমরা ফুটওভার ব্রিজে পথচারীকে উঠিয়ে,লিফলেট বিতরণ ও স্কুলে সচেতনতামূলক সভা করে যাচ্ছি।





