ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় হাট বাজার সর্বত্র হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে টমেটো, বেগুন, করলা, মুলা চিচিংগা পটল করলাসহ বেশ কয়েক প্রকার সবজি কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা বেড়েছে। একদিকে সবজির দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের লোকজনরা নাভিশ্বাস উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে পরিবহন সংকটের কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ তুলনামুলকভাবে অনেক কম থাকায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম সহনশীল পর্যায়ে চলে আসবে বলে জানায়।
এদিকে পৌর শহরের সড়ক বাজার গিয়ে দেখা যায় প্রতি কেজি টমোটো ৩০-৩৫ টাকায় বরবটি ৫৫-৬০ চিচিংগা ৬০-৬৫ টাকা, পেঁপে ৩০-৩৫, করলা ৫০-৫৫ টাকা, ঝিঙা ৪০-৪৫ টাকা, কচুর লতি ৫০-৫৫, ঢেড়স ৫৫-৬০ গাজর ২৫-৩০ আলু ২৫ বেগুন ৪০-৪৫, মুলা ৪০-৪৫, শসা ৪০-৪৫, কাঁচা মরিচ ৪০-৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া প্রতি এক হালি লেবু ৬০ টাকাও প্রতিপিছ জালি ৩০-৩৫ ও কলা প্রতি হালি ৩০-৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মসলা, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য এক প্রকার স্থিতিশিল রয়েছে।
তাছাড়া মাছ রুই (বড়) ৩০০, ছোট ১৫০-১৮০,কাতল বড় ২৫০, ছোট ১৭০-১৮০, তেলাপিয়া ৮০-১০০, কার্প ১৫০-১৭০, পুটি ১৪০, টেংরা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা পৌর শহরের কলেজ পাড়া এলাকার মো. লোকমান হোসেন বলেন, বর্তমানে সবজির দাম যে ভাবে বাড়ছে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের মানুষের পক্ষে সবজি কিনে খাওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মো. শামসু মিয়া বলেন, এক সপ্তাহ ধরে বাজারে কোনো প্রকার সবজি ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। যেভাবে সবজির দাম বাড়ছে আমাদের মতো স্বল্প আয়ের লোকদের সবজি খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে।
রিকসা চালক ফরিদ বলেন, দৈনিক রিকশা চালিয়ে ২০০ টাকার ওপর আয় হয়। আর পাঁচজনের সংসারে দৈনিক দেড় কেজি চাল লাগছে। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে চাল কিনলে সবজি কেনা যায় না।
সড়ক বাজার সবজি ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়া বলেন, করোনার প্রকোপে পরিবহন সংকটের কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থা বেশী দিন থাকবে না। সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাবে।





