লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
এক দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে লালমনিরহাটে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই সংবাদকর্মীসহ অন্ততঃ ৩০জন আহত হয়েছেন।
রোববার বেলা ১২টার দিকে জেলা কালেক্টরেট মাঠ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল সহ শহরের মিশন মোড় চত্বরে এসে ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের উপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোঁড়ে। এতে যমুনা টেলিভিশনের ক্যামেরা পার্সন মাহবুব আলম সহ অন্ততঃ ১০জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের হামলায় ৫জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সদর থানার ওসি ওপর ফারুক। ওই আন্দোলনে অভিভাবক, বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা একাত্মতা ঘোষণা করে।
এদিকে জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জহির ইমাম এর বাসভবন, ইউএনও অফিস ও স্থানীয় শ্রমিক লীগ অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালায় আন্দোলনকারীরা। এতে স্থানীয় সাংবাদিক আল আমিন বাবুসহ অন্ততঃ ১৫জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন। এদের দুইজনের অবস্থা আশংকাজনক। এসময় আত্মরক্ষার্থে অন্ততঃ ৩০জন পুলিশ সদস্য ইউএনও অফিসের হল রুমে আশ্রয় নিলে তারা আকটা পড়ে।
তবে এসময় বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দুষ্কৃতকারীরা ঢুকে বিশৃঙ্খলা করেছে। প্রশাসনের দায়িত্ব তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা। কিন্তু তারা তা না করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে। শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশির নামে অভিভাবকদের বিরক্ত করছে। এ সময় তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'আমাদের এক দফা, এক দাবি - প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে'।





