বরগুনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগের বিরুদ্ধে করোনাকালে কর্মহীন ও দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ এবং একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বরগুনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ওই পরিষদের কয়েকজন সদস্য। তারা সদস্যরা বলেন, ২০২০ সালে শিশু এবং গোখাদ্যের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্যদের সমন্বয়ে মাস্টার রোলের মাধ্যমে বিতরণ করার কথা থাকলেও তা না করে আটটি চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ। এছাড়াও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরে গ্রাম আদালতের জন্য বরাদ্দকৃত এক লাখ ২০ হাজার এবং সেতু সংস্কার, বিদ্যালয়ে বায়োম্যাট্রিক হাজিরা মেশিন, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, সোলার প্যানেল স্থাপন, মন্দির সংস্কার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভেতরে বিভিন্ন সংস্কারসহ ১২টি প্রকল্পের ২২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬১ টাকা কোথাও নামমাত্র কাজ আবার কোথাও একেবারে না করেই আত্মসাত করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য নায়েব গোলাম, আল মামুন, পনু মৃর্ধা, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ বলেন, করোনার অর্থ আমার কাছে এখনো আছে, সময়ের অভাবে তা বিতরণ করা হয়নি। অন্যদিকে বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ব্যাপারে তিনি বলেন, গ্রাম আদালতসহ দু-একটি কাজ নানা কারণে করা সম্ভব হয়নি, তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে।





