আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়ন নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইমরান এইচ সরকারের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমির।
রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে আজ শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। তার সঙ্গে ছিলেন, অ্যাডভোকেট আদনান রহমান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনেই ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন তার বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র নিয়ে আপিল শুনানি করে। মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরের ক্রমিক নম্বরে ভুল থাকায় আপিলেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিলে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্তে বলেছিল, ইমরানের মনোনয়নপত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক জনসমর্থনের তথ্য জমা না দেয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই আপিল করেছিলেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র। তবে সিদ্ধান্ত বদল হয়নি।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বলা হয়, নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আসনের মোট ভোটারের ন্যূনতম ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন থাকতে হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইমরান এইচ সরকারের এ বিষয়ে ঘাটতি রয়েছে। তাই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল বলে ঘোষণা করেন। আপিলেও তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পরে সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ইমরান।





