অপ্রাপ্ত বয়স্ক তিন সন্তান। এমনিতেই মানবেতর দিন কাটে। গত ৭ বছর ধরে স্বামীও খোঁজখবর নেয় না। স্বামীর বাড়ি ভিটে টুকুই শেষ সম্বল। সেই ভিটায় বাঁশ ও টিনের তৈরি ছোট্ট একটি ঘর ছিল রাজিয়ার। আজ রোববার সেই ঘরটিও সর্বনাশা আগুন পুড়ে ছাই করে দিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির এই দিনে সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় থাকবে রাজিয়া?
জানা যায়, টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আবদুল বারেক মিয়ার স্ত্রী রাজিয়া। আজ রোববার সকালে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে রাজিয়ার একমাত্র থাকার ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। একমাত্র ওই ঘরটিতেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতো রাজিয়া। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পরিবারটি এখন চরম অসহায়। দিন মজুরি বন্ধ থাকায় আয়ের পথও বন্ধ। দুর্দিনে ঘরটি পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে পুরো পরিবার। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ঘর থেকে কিছুই বের করতে পারেনি।
স্থানীয় যুবলীগ নেতা হাফেজ আব্দুল গণি বলেন, এই দুর্দিনে অসহায় রাজিয়ার একমাত্র ঘরটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে দিন ও রাত যাপন ছাড়া তাদের কোন উপায় নেই। নেই কোনো খাবার ও আশ্রয়ের জায়গা। বিত্তবানদের এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবী জানান তিনি।





