কক্সবাজার শহরের একটি অভিজাত হোটেল বারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের বিদেশী মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাতে এ অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
এ সময় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের দক্ষিণ বাহারছড়ার মৃত সুরেন্দ্র লাল বড়ুয়ার ছেলে বার ইনচার্জ মো. শামীম উদ্দিনকে (৫৫) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সোমেন মন্ডল অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযানে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে-বিদেশি মদ ৬৪১ বোতল (৬৩০ লিটার) এবং বিভিন্ন ব্রান্ডের বিয়ার ২ হাজার ২৬২ ক্যান (৭৪৬ লিটার)। এর মধ্যে ফোনিক্স ক্যান ১৮৩৮টি, পাসপোট স্কস ১৮০ বোতল, স্কটিশ লিডার ১৮ বোতল, পেপে লোপেজ ১৭ বোতল, পেপে লোপেজ (লাল) ১৭ বোতল, ‘ভ্যাট ৬৯- ২১ বোতল, ব্লাক এন্ড হোয়াইট ৪ বোতল, গিলবেইস জিন ১১ বোতল, হোয়াইটি এন্ড ম্যাকি ৪৮ বোতল, ১০০ পিপারস ৪২ বোতল, মারলট/পিনোটাজ ৪৪ বোতল, স্যার পিটারন ৫১ বোতল, নেমিরফ ৮৪ বোতল, ব্লাক লেবেল ১২২ বোতল, হ্যানিকেন ১৪৪ ক্যান, রয়্যাল ডাচ ১৪৮ ক্যান, হোলান্ডার ৩১২ ক্যান, ভ্যালেন্টাইনস ২৪ বোতল।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) চাঁন মিয়া বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত মোঃ শামীম উদ্দিনসহ আরো ২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর হলেন, মেসার্স অপটিমা ট্যুরিজমের মালিক এমএ আউয়াল চৌধুরী ভুলু এবং বারের ম্যানেজার শফিউল বারী চৌধুরী। এরা ২ জনই বর্তমানে পলাতক।
জানা গেছে, আটক মো. শামীম উদ্দিনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ শহরের বিভিন্ন হোটেল ও বারে রমরমা মাদক বাণিজ্য চালিয়ে আসছিলো।





