মুহাম্মদ মিযানুর রহমান
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই এবার আসছে বাজেটের ঘোষণা। অতীতের রেকর্ড ভেঙে এবার বাজেট হবে ছয় লাখ হাজার কোটি টাকার। তবে আমাদের বাজেটের মৌলিক একটি সমস্যা হলো ‘ঘাটতি’। ব্যয়ের বিবেচনা করে তৈরি করা হয় আমাদের বাজেট। আয়ের খাত দেখলে দিন শেষে ঘোষণা আসে মহা ঘাটতির। অবশেষে দ্বারস্থ হতে হয় ঋণ, বিদেশি অনুদান ইত্যাদির। করোনার অর্থনৈতিক মন্দায় সে রাস্তাও মোটামুটি বন্ধ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে অবশ্যই দরকার সমৃদ্ধিশীল বাজেট। আসন্ন বাজেটে ভাবতে হবে জনসাধারণের ভাবনা ও কামনা। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছতে রয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সরকারিভাবে কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং বীজ সংরক্ষণে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা যায় না। যে খাতটি দেশের ৪২% মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করছে, সেই খাতে মোট এডিপির ১.২% বরাদ্দ। বাস্তবতা হলো—কৃষিকে সুরক্ষা দিতে পারলে দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।
একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে এড়িয়ে কীভাবে এমন বাজেট ঘোষণা হতে পারে তা একটি প্রশ্ন। তাই জনমুখী চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে ১০টি ফাস্ট-ট্র্যাক প্রকল্পের মধ্যে যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনসাধারণের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট, সেসব প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা উচিত। অন্যগুলো বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থগিত থাকতে পারে। গত এক দশকে প্রবৃদ্ধি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া সত্ত্বেও ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের চাপে জর্জরিত বাংলাদেশ। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির চেয়ে বিদ্যমান কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ। এই মুহূর্তে ব্যবসায় অর্থায়ন অন্যতম প্রধান একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ পাওয়া দুরূহ। একইভাবে বর্তমান বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি ও অর্থায়ন একটি চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করলেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে পারে। কিন্তু প্রবৃদ্ধি বাড়লেই যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জনকল্যাণ বাড়বে বা টেকসই উন্নয়ন ঘটবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যম কর্মক্ষম জনশক্তি। আর এই প্রবৃদ্ধির ভোক্তা জনগণ। যদি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন না ঘটে, তবে কী হবে প্রবৃদ্ধি দিয়ে?
যদি রাজস্ব আয় বাড়ানো না যায়, উন্নয়নমুখী খাতে ব্যয় না বাড়ে ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা না যায় এবং প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রকৃত অংশীজন ঋণ না পায়, তবে কীভাবে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। এই করোনাকালে যে অসংখ্য মানুষ ঢাকা ছাড়তে বাধ্য হলো, যে রপ্তানিমুখী শিল্প শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ল এবং যে কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হলো, তাদের জন্য বাজেট কী নিশ্চিত করতে পারল? করোনার প্রাক্কালে চাকরিচ্যুত হয়েছিল ৩৬ শতাংশ মানুষ। অনেকের চাকরি থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত বেতন-ভাতা পাননি। কোভিড-১৯-এর কারণে নতুন করে দারিদ্র্য বাড়ছে। যুবকরা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ জন্য আমাদের প্রয়োজন পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ প্রদান করা। আমাদের একটি গণমুখী এবং কর্মমুখী বাজেট প্রণয়ন করা জরুরি। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা শ্রমবাজারের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মীর চাহিদা মেটাতে সক্ষম নয়। জাতীয় যুবনীতি ২০১৭-তে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য নতুন চাকরি সৃষ্টি করা বা কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাজেটে একটি বিশেষ বরাদ্দ রাখা এখন সময়ের দাবি। আশা করি আসন্ন বাজেটে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
আফসোসের কথা হলো, বাজেটের মধ্যে ঠাঁই পায় অগণিত কালোটাকা। দুর্নীতি ও অনিয়মকভাবে অর্জিত টাকা দিয়ে দিনদিন ধনী হচ্ছে এক শ্রেণি। তারাই সঠিকভাবে কর না দেওয়ার দরুণ নিয়মিত করদাতারা ভিন্ন পথ খোঁজেন। অথচ দুর্নীতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান জিরো টলারেন্স। তারপরও কালোটাকায় জজরিত আমাদের অর্থনীতির চাকা। চলতি বাজেটে এই বিষয়টিকেও প্রাধান্য দিয়ে তা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অন্যদিকে সুদের হার কমিয়ে আনতে হবে। সুদভিত্তিক অর্থনীতি এখন এই সমাজে পুঁজিবাদীদের চাপিয়ে দেওয়া অভিশাপ। সর্বোপরি আসন্ন বাজেটে মানুষের খাদ্য, কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা, চাকরি হারানো শ্রমিকদের জন্য নগদ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।
করোনার প্রভাবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইনে শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে বৈষম্য ও জটিলতা রয়েছে। সুতরাং অনলাইনে শিক্ষার সুযোগ যেন স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েরা নিতে পারে, সেজন্য ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে দেওয়ার ব্যবস্থা বাজেটে উল্লেখ থাকতে হবে। শেষ কথা, প্রবৃদ্ধি বা ঘাটতি বাজেট নিয়ে দুর্ভাবনা না করে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কি করে বাড়ানো যায়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক ও টেকসই অর্থনীতির ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা দূর করে জ্ঞানভিত্তিক, সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে জনবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট প্রণয়নে মনোযোগী হতে হবে, যা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। সুতরাং আসন্ন বাজেট জনগণের প্রত্যাশার বাজেট হয় কি না এখন সেটাই দেখার বিষয়।
লেখক : সাংবাদিক
mizanrk46@gmail.com
রোনার দ্বিতীয় ঢেউ : প্রত্যাশার বাজেট
মুহাম্মদ মিযানুর রহমান
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই এবার আসছে বাজেটের ঘোষণা। অতীতের রেকর্ড ভেঙে এবার বাজেট হবে ছয় লাখ হাজার কোটি টাকার। তবে আমাদের বাজেটের মৌলিক একটি সমস্যা হলো ‘ঘাটতি’। ব্যয়ের বিবেচনা করে তৈরি করা হয় আমাদের বাজেট। আয়ের খাত দেখলে দিন শেষে ঘোষণা আসে মহা ঘাটতির। অবশেষে দ্বারস্থ হতে হয় ঋণ, বিদেশি অনুদান ইত্যাদির। করোনার অর্থনৈতিক মন্দায় সে রাস্তাও মোটামুটি বন্ধ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে অবশ্যই দরকার সমৃদ্ধিশীল বাজেট। আসন্ন বাজেটে ভাবতে হবে জনসাধারণের ভাবনা ও কামনা। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছতে রয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সরকারিভাবে কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার প্রতিষ্ঠা এবং বীজ সংরক্ষণে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা যায় না। যে খাতটি দেশের ৪২% মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করছে, সেই খাতে মোট এডিপির ১.২% বরাদ্দ। বাস্তবতা হলো—কৃষিকে সুরক্ষা দিতে পারলে দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।
একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে এড়িয়ে কীভাবে এমন বাজেট ঘোষণা হতে পারে তা একটি প্রশ্ন। তাই জনমুখী চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে ১০টি ফাস্ট-ট্র্যাক প্রকল্পের মধ্যে যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনসাধারণের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট, সেসব প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা উচিত। অন্যগুলো বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থগিত থাকতে পারে। গত এক দশকে প্রবৃদ্ধি উৎসাহব্যঞ্জক হওয়া সত্ত্বেও ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের চাপে জর্জরিত বাংলাদেশ। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির চেয়ে বিদ্যমান কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ। এই মুহূর্তে ব্যবসায় অর্থায়ন অন্যতম প্রধান একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ পাওয়া দুরূহ। একইভাবে বর্তমান বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি ও অর্থায়ন একটি চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করলেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে পারে। কিন্তু প্রবৃদ্ধি বাড়লেই যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জনকল্যাণ বাড়বে বা টেকসই উন্নয়ন ঘটবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যম কর্মক্ষম জনশক্তি। আর এই প্রবৃদ্ধির ভোক্তা জনগণ। যদি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন না ঘটে, তবে কী হবে প্রবৃদ্ধি দিয়ে?
যদি রাজস্ব আয় বাড়ানো না যায়, উন্নয়নমুখী খাতে ব্যয় না বাড়ে ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা না যায় এবং প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রকৃত অংশীজন ঋণ না পায়, তবে কীভাবে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। এই করোনাকালে যে অসংখ্য মানুষ ঢাকা ছাড়তে বাধ্য হলো, যে রপ্তানিমুখী শিল্প শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ল এবং যে কৃষক ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হলো, তাদের জন্য বাজেট কী নিশ্চিত করতে পারল? করোনার প্রাক্কালে চাকরিচ্যুত হয়েছিল ৩৬ শতাংশ মানুষ। অনেকের চাকরি থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত বেতন-ভাতা পাননি। কোভিড-১৯-এর কারণে নতুন করে দারিদ্র্য বাড়ছে। যুবকরা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ জন্য আমাদের প্রয়োজন পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ প্রদান করা। আমাদের একটি গণমুখী এবং কর্মমুখী বাজেট প্রণয়ন করা জরুরি। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা শ্রমবাজারের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মীর চাহিদা মেটাতে সক্ষম নয়। জাতীয় যুবনীতি ২০১৭-তে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য নতুন চাকরি সৃষ্টি করা বা কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাজেটে একটি বিশেষ বরাদ্দ রাখা এখন সময়ের দাবি। আশা করি আসন্ন বাজেটে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
আফসোসের কথা হলো, বাজেটের মধ্যে ঠাঁই পায় অগণিত কালোটাকা। দুর্নীতি ও অনিয়মকভাবে অর্জিত টাকা দিয়ে দিনদিন ধনী হচ্ছে এক শ্রেণি। তারাই সঠিকভাবে কর না দেওয়ার দরুণ নিয়মিত করদাতারা ভিন্ন পথ খোঁজেন। অথচ দুর্নীতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান জিরো টলারেন্স। তারপরও কালোটাকায় জজরিত আমাদের অর্থনীতির চাকা। চলতি বাজেটে এই বিষয়টিকেও প্রাধান্য দিয়ে তা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। অন্যদিকে সুদের হার কমিয়ে আনতে হবে। সুদভিত্তিক অর্থনীতি এখন এই সমাজে পুঁজিবাদীদের চাপিয়ে দেওয়া অভিশাপ। সর্বোপরি আসন্ন বাজেটে মানুষের খাদ্য, কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা, চাকরি হারানো শ্রমিকদের জন্য নগদ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।
করোনার প্রভাবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য দেখা দিচ্ছে। শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইনে শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে বৈষম্য ও জটিলতা রয়েছে। সুতরাং অনলাইনে শিক্ষার সুযোগ যেন স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েরা নিতে পারে, সেজন্য ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে দেওয়ার ব্যবস্থা বাজেটে উল্লেখ থাকতে হবে। শেষ কথা, প্রবৃদ্ধি বা ঘাটতি বাজেট নিয়ে দুর্ভাবনা না করে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কি করে বাড়ানো যায়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক ও টেকসই অর্থনীতির ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা দূর করে জ্ঞানভিত্তিক, সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে জনবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট প্রণয়নে মনোযোগী হতে হবে, যা দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। সুতরাং আসন্ন বাজেট জনগণের প্রত্যাশার বাজেট হয় কি না এখন সেটাই দেখার বিষয়।
লেখক : সাংবাদিক
mizanrk46@gmail.com





