নেত্রকোণার কলমাকান্দায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হলে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচারক।
এর আগে, ১৩ জুলাই উপজেলার মহাদেও নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে দেশের বেসরকারি একটি টেলিভিশনে প্রতিবেদন সম্প্রচার হয়। পরে প্রতিবেদনটি দৃষ্টিগোচর হয়। এবিষয়টি আমলে নিয়ে ৫ আগস্ট এর মধ্যে কলমাকান্দা থানা কর্তৃপক্ষকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক সোহেল ম্রং।
আদালত সোমবার থানা কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়ে সত্যতা পাওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, কলমাকান্দা উপজেলার বরুয়াকোনা বাজার সংলগ্ন মহাদেও নদীতে, চিকনটুপ ও প্যাঁচামারী মৌজায় মাহফুজ আলম (মামুন), খোরশেদ আলম ও রফিকুজ্জামান খোকন পাঁচশত-ছয়শত নৌকার মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছেন।
বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, ঘরবাড়ি ভেঙে যাচ্ছে, নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে ও বালু উত্তোলনের শতশত নৌকা ও মেশিনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিধারা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অবৈধ কাজে ব্যবহৃত নৌকা ও মেশিনগুলো জব্দ করা প্রয়োজন।
অতএব, সার্বিক পর্যালোচনায় মাহফুজ আলম (মামুন), খোরশের আলম ও রফিকুজ্জামান খোকনের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়েছেন আদালত। অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলনকারীরা পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আদালত তাদেরকে বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বালুমহালের বাইরে যারা নৌকা ও মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে তাদের নৌকা ও মেশিনগুলো জব্দ করতে নির্দেশে বলা হয়েছে।





