কলমাকান্দায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, কথিত নানাকে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী

ধর্ষণের চেষ্টাকারী কথিত নানা মিজানুর রহমান

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

কলমাকান্দায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টা, কথিত নানাকে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী

  • কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২০ জুন, ২০২০

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. মিজানুর রহমান মিজান নামে কথিত নানাকে শনিবার সুকৌশলে স্থানীয় ইউপি ভবনে আটকে রাখে গ্রামবাসী। পরে তাকে আজ শনিবারে বিকালে উদ্ধার করেছে কলমাকান্দা থানা পুলিশ। 

এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে  শিশু শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে মিজানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।  অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজান উপজেলার খারনৈ ইউনিয়ন  খারনৈ গ্রামের মৃত আছর উদ্দিনের পুত্র। সে তিন সন্তানের জনক।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার শিশু শিক্ষার্থীর বাবা ঢাকা থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান। ওই টাকা আনার জন্য  শিশু শিক্ষার্থী তার বাড়ী থেকে হাট গোবিন্দপুর বাজার উদ্দেশ্য রওনা দেন। ওই টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে শিশু শিক্ষার্থী কথিত নানা মিজানুর রহমানের দোকানের সামনে দাঁড়ালে মিজানুর মিষ্টি খাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে ফুসলিয়ে তার দোকান ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। আর তাকে আর ধর্ষণের চেষ্টা করেন মিজানুর। কিন্তু রাস্তার পাশের ওই ঘরে শিশুটি  চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। শিশুটির মা ও বাবা ঢাকায় চাকুরি করার সুবাদে সে তার দাদা-দাদির কাছে থেকে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

ওই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রত্যক্ষদর্শী ওই ইউনিয়নের হাট গোবিন্দপুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আজিজুল হক ও চা দোকানদার আব্দুর রাশিদ বলেন অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মিজান লম্পট প্রকৃতির লোক। এর আগেও মিজান একাধিকবার এধরণের ঘটনা ঘটিয়েছে এলাকায় ।

এব্যাপারে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন , এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল সকালে নেত্রকোনা জেলা আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads