কৃষি অর্থনীতি

কালীগঞ্জ ড্রাগন ফলের চাষে ঝুকছে মানুষ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৫ অক্টোবর, ২০২৩

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ এখন কৃষকরা  ড্রাগন ফল চাষের জন্য আগ্রহী হয়ে উঠেছ।  এ উপজেলায় দ্রুত বাড়ছে ড্রাগন ফলের চাষ। লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরা এ ফলের চাষে ঝুঁকেছেন।

এ বছর জেলায় ৬ হাজার ২২৫ বিঘাতে (৮৩০ হেক্টর) ড্রাগন ফলের চাষ হয়েছে। চাষি ও কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রের খবর, চলতি বছরে এ জেলায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ড্রাগন ফল উৎপাদন হবে বলে তাদের আশা।

২০১৬ সালের দিকে এ জেলার মধ্যে মর্ক প্রথম কালীগঞ্জে বোরহান উদ্দিন ও শহিদুল ইসলাম ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেন। তাদের দেখাদেখি আরও অনেকে বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগন ফল চাষ শুরু করেন। অনেকে এ ফলের চাষ করে লাভবান হয়েছেন।

তাদের একজন কালীগঞ্জ উপজেলা শিবনগর গ্রামের সুরত আলী। তিনি জানান, ২০১৭ সাল থেকে তিনি ড্রাগনের চাষ শুরু করেন। ২৫ বিঘা জমির ওপর তার ড্রাগন বাগান। তিনি জানান, প্রথম বছর ফল কম ধরে। বাগানের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে ফল উৎপাদন বাড়তে থাকে।  

এক বিঘায় ড্রাগনের বাগান করতে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়। এ বছর আবহাওয়া বৈরী। এজন্য ফল কম ধরছে। তবে বিঘা প্রতি ৫ লাখ টাকার ফল বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা তত্বীপুর গ্রামে ১৬ বিঘাতে ড্রাগনের বাগান করেছেন আহসানুল ইসলাম ডন নামে এক যুবক। তিনি পাঁচ বছর ধরে ড্রাগনের চাষ করছেন। মার্চ-এপ্রিল মাসে ফল ধরতে শুরু করে। জুন মাসে ফল পাকে। ডিসেম্বর পর্যন্ত গাছে ফল থাকে। শীতে ফল ধরে না। বর্তমানে পাইকারি এ গ্রেড ফল ২৬০ টাকা কেজি ও বি গ্রেড ফল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফল ভালো হলে বিঘা প্রতি ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা আয় হয় বলে জানান তিনি।

ফলের দোকান গুলোতে অন্যান্য ফলের সঙ্গে ড্রাগন ফল বিক্রি হচ্ছে। চাহিদাও ভালো। মহেশপুর উপজেলা গৌরীনাথপুরে ড্রাগন ফলের হাট বসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে ফল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলার গৌরীনাথপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, পাঁচ বছর আগে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেছেন। বর্তমানে তার ২৫ বিঘার ওপর ড্রাগন বাগান। তিনি জানান, এ বছর বৃষ্টি কম ও গরমের কারণে ফলন কম হচ্ছে। এতে লাভ কম হবে।  

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads