সারা দেশ

কাল থেকে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি

  • বগুড়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৯ মার্চ, ২০২২

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৮টি পরিবারকে টিসিবি’র ন্যায্য মূল্যের পণ্য সরবরাহ করা হবে। আগামীকাল রোববার (২০ মার্চ) থেকে জেলার ১২টি উপজেলার মোট ২৭৫ ট্রাক সেলিং পয়েন্টে টিসিবি’র এসব পণ্য বিক্রি হবে। প্রথম দিনে জেলার ৩৩টি পয়েন্টে ১৮ হাজার ৫৬৬ পরিবাারের মাঝে এই পন্য বিক্রি হবে। জেলায় দু’দফায় এই কার্ডের বিপরীতে কার্ডধারীরা ডাল, তেল ও চিনি পাবেন। প্রথম দফায় ৩টি পন্য ও দ্বিতীয় দফায় ৪টি পন্য কার্ডধারীরা ন্যায্যমুল্যে কিনতে পারবেন। প্রথম দফায় রবিবার থেকে ৯ দিন এবং দ্বিতীয় দফায় পণ্য বিক্রি শুরু হবে ৩ এপ্রিল থেকে ৯দিন। ট্রাক সেলিং পয়েন্টের মাধ্যমে এসব পন্য বিক্রি করা হবে বলে জেলা প্রশাসন জানায়।

ফ্যামেলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি শুরু উপলক্ষে শনিবার বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক প্রেস বিফিংএ জেলা প্রশাসক মোঃ জিয়াউল হক জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের নিদের্শনায় পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সারা দেশে ১ কোটি উপকারভোগীর মধ্যে টিসিবি’র পন্য বিক্রি হবে। এটি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য সহনীয় রাখতে সহায়ক হবে।

প্রেস ব্রিফংএ অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুম আলী বেগ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন জানায়, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ ইতোমধ্যে শেষে হয়েছে। ফ্যামেলী কার্ডের মাধ্যমে নিম্ম আয়ের পরিবারদের টিসিবি’র পন্য ন্যায্য মুল্যে বিক্রির এই কর্মসুচী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেস্টার বাস্তবায়ন। কার্ড প্রতি ২ কেজি করে ডাল ও চিনি এবং ২লিটার তেল ন্যায্য মুল্যে দেয়া হবে। একই কার্ডে দ্বিতীয় দফায় আগের পন্যর সঙ্গে যোগ হবে ছোলা।

ন্যায্য ম‍ূল্যে এসব পন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিক্রির জন্য পৌরসভাসহ ১২ উপজেলায় ৯৬ জন ডিলার নিযুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কমকর্তরা ছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই কার্যক্রম তদারকি করবেন। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বগুড়া সদরে। এখানে ২৬হাজার ৩৪২টি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া গাবতলি উপজেলায় ১৬হাজার ৩৫০, সারিয়াকান্দিতে ১৪হাজার ৭৩৯, শিবগঞ্জে ১৬ হাজার ২৩৭, শেরপুরে ১৩হাজার ৭৯৬,ধুনটে ১৬ হাজার ৪১০,সোনাতলায় ১২ হাজার ৭৬৫,দুপচাঁচিয়ায় ১১ হাজার ২৯৫, নন্দীগ্রামে ১০ হাজার২১,আদমদিঘীতে ৯হাজার৮৬৬, কাহালুতে ৯ হাজার৩১৯ এবং শাজাহানপুর উপজেলায় ৬ হাজার৫৫টি পরিবারকে কার্ড দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads