আবু হাসান শেখ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে শিল্প ও শৈল্পিক নগরীতে পরিণত করাসহ এ উপজেলায় ২০০ একর জমির উপর আধুনিক যুগ উপযোগি শিল্প কারখানা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ইকু গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক ও নীলফামারী জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। তিনি আজ সন্ধ্যায় স্থানীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন।
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক, সৈয়দপুর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক, ইকু গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক এ শিল্পপতি তার বক্তব্যে আরও বলেন— আমি কর্মসংস্থানে বিশ্বাস করি। এ উপজেলার প্রায় ২ হাজার কমীর্ আমার শিল্পকারখানায় কাজ করে। এখানকার মানুষ খুবেই কর্মঠো। তাই এ উপজেলায় ২০০ একর জমির উপর শিল্প কারখানা গড়ে তোলা পরিকল্পনাটি দীর্ঘদিনের। আমার প্রায় ১৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে এ জেলার ১০ হাজারেরও বেশি লোক কাজ করছে। আমি সবসময় মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ও মানব সেবায় নিরলসভাবে কাজ করেছি ও করছি। আমার আর টাকার প্রয়োজন নেই। এখন আমি মানুষের পাশে থেকে সেবা করতে হতে চাই, তাদের সেবক হতে চাই। এলাকার উন্নয়নের রুপকারও হতে চাই। আমি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী—৪ (কিশোরগঞ্জ—সৈয়দপুর) আসনের লাঙ্গল মার্কার সম্ভাব্য প্রার্থী। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।
এ শিল্পপতি ও জাপা নেতা সাংসদের প্রতি নেতা—কর্মীদের অবমুল্যায়ন করার অভিযোগ তুলে বলেন— এ আসনে উন্নয়ন তেমন হয়নি। উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আশা—আকাংখাও পূরণ করতে পারেনি। তাই দলের হাই কমান্ডের ইঙ্গিতে আমি মাঠে নেমেছি। যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান উন্নয়ন চোখে পড়ে না। তিনি বর্তমান সাংসদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— নিজের ভাগ্য উন্নয়ন কি বর্তমান সাংসদ বুঝেন। এলাকার উন্নয়নের প্রতি তার কোন নজর নেই। তার নজর ছিল স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজের নিয়োগ বানিজ্যের দিকে। যে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ছিল, সেখানে তার পরিবারের লোকজনকে সভাপতি করে এ নিয়োগ বানিজ্য করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়োগ, বিভিন্ন ডিও নিতেও তিনি টাকা নিয়েছেন। অন্যদিকে দলের নেতা—কমীর্দের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। সাংসদের পাশেও নেই কোন নেতা—কমী। কারণ সে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে রাজনীতি করতেই ব্যস্ত। তিনি আরও বলেন— দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ। তিনি আমাকে মাঠে কাজ করতে বলেছেন। আমি মনে করি উন্নয়নের স্বার্থে জাতীয় পার্টি এ আসনে আমাকেই মনোনয়ন দিবে। সেক্ষেত্রে আপনাদের (সাংবাদিক) সহযোগিতা কামনা করছি।
স্থানীয় প্রেস ক্লাব হলরুমে আহ্বায়ক ও উপজেলা জাপার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলম হোসেনের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি রওশন মাহানামা, সৈয়দপুর পৌর জাতীয় পাটির আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন শওকত, সৈয়দপুর পৌর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব রাকিব খান, সৈয়দপুর পৌর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক শামসুদ্দিন প্রমুখ। এসময় কিশোরগঞ্জ উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতা—কমীর্রা উপস্থিত ছিলেন। এতে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।





