কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের দাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা আক্তারের বাড়ীতে স্থাপন করা হয়েছে বিদ্যুতের স্মার্ট প্রিপেইড মিটার। স্মার্ট প্রিপেইড মিটার পেয়ে অনেক খুশী তিনি।
শুধু সুলতানা আক্তারই নয় একই এলাকার আলী হোসেন, রহমত মিয়া শাক্তা ইউনিয়নের আলাউদ্দিন মিয়াও পেয়েছেন স্মার্ট প্রিপেইড মিটার।
এ বিষয়ে কথা হলে সুলতানা আক্তার বলেন, একটা সময় বিদ্যুতের বিল দিতে ব্যাংকে গিয়ে লাইন দিতে হতো। পরে পল্লী বিদুৎ থেকে প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে দেয়। কিন্তু এতে বিড়ম্বনা আরো বেড়ে যায়। মিটারে টাকা রিচার্জের পর আবার টোকেন নাম্বার মিটারে চাপতে হয়। ফলে মিটার রিচার্জ করার পর মিটারে ঢুকানোর জন্য মানুষ খুঁজতে হয়। কিন্তু স্মার্ট প্রিপেইড মিটার পাওয়ার পর আমাদের আর কোন ঝামেলা নেই। দোকান থেকে টাকা রিচার্জ করলেই তা সরাসরি মিটারে ঢুকে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি- ৪ এর আওতায় কলাতিয়া জোনাল অফিসে ৪০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০ হাজার ৬৩৮ টি মিটার স্থাপন করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পাওয়ার ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিঃ (বিপিইএমসি)।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পাওয়ার ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিঃ (বিপিইএমসি) এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ ফাইয়াদুজ্জামান বলেন, ৪ জন সুপারভাইজারসহ ৩২ জন দক্ষ টেকনেশিয়ান মাঠপর্যায়ে স্মার্ট মিটারিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইতিমধ্যে আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ এর আওতাধীন কলাতিয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলেন, স্মার্ট প্রিপেইড মিটার পরিচালনা করা অনেক সহজ। প্রিপেইড মিটারে টোকেন রিচার্জ করা লাগলেও স্মার্ট প্রিপেইড মিটারে সেই ঝামেলা নেই। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে আগ্রহ বেড়েছে এ মিটারের। একসময় প্রিপেইড মিটারের প্রতি গ্রাহকের অনাগ্রহ থাকলেও এখন অনেকেই আবেদন করে নিচ্ছেন স্মার্ট প্রিপেইড মিটার।





