গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত জয়নাল

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত জয়নাল

  • বিজয় ঘোষ, রাজশাহী
  • প্রকাশিত ২৬ জুন, ২০২১

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু হূষ্টপুষ্ট (মোটাতাজা) করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজশাহীর গরু খামারিরা। জেলায় সবচেয়ে বড় দুটি গরু হূষ্টপুষ্ট (মোটাতাজা) করে খুশি পুঠিয়ার ধোপাপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন। দুই বছর থেকে তিনি দুটি গরু নিজ বাড়িতে খামারের মাধ্যেমে লালন পালন করেছেন। গরু দুটি অনেক বড় হওয়ায় ভালো দাম পাবেন বলে আসা করেন তিনি। দুই বছর আগে ফিজিয়ান ও শাহীওয়াল জাতের দুটি আইরা গরু ক্রয় করেন জয়নাল। নিজের বাড়িতে কর্মচারীর পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা মিলে গরু দুটিকে লালন পালন করে আসছেন তিনি। তবে তিনি অসাধু পন্থা অবলম্বন না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, গম, বুট, খুদের ভাত, খৈল-ভুষি খাইয়ে হূষ্টপুষ্ট (মোটাতাজা) করেছেন। তবে গরু দুটি অনেক বড় হওয়ায়, এলাকার অনেক মানুষ দেখার জন্য ভিড় করেন তার বাড়িতে। খামারি জয়নাল আসন্ন কোরবানির ঈদের আগে গরু দুটি বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেছেন। তবে গরু দুটি বিক্রি করে ভালো আয় করবেন বলে মনে করছেন অনেকে। জয়নালের গরু পালন দেখে অনেকে গরু পালনে আগ্রহী হচ্ছেন। আর এই পদ্ধতিতে গরু পালন করে লাভবান হচ্ছেন অনেকে। এ বছর কোরবানির জন্য অনেক গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। আর খামারিদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন বলে জানান প্রাণিসম্পদ অফিস।

জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি এই গরু দুটি মোটামুটি দুই বছর ধরে লালন পালন করছি। অসাধু পন্থা অবলম্বন না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, গম, বুট, খুদের ভাত, খৈল-ভুষি খাইয়ে যতটুকু মোটাতাজা করার দরকার সাবেক নিখুঁত খাদ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত করতে পারছি।

উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাবুল আকতার মোল্লা বলেন, আমরা সর্বক্ষণিক এলাকায় যায় এবং খোঁজখবর রাখি। তবে আমার জানামতে সেই গরু দুটিকে কোনো প্রকার ওষুধ বা ইনজেকশন ছাড়াই লালন পালন করা হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাখলেসুর রহমান বলেন, পুঠিয়া উপজেলায় দুই হাজার ৬৮০টির মতো গরু মোটাতাজাকরণ খামারি রয়েছেন। তাদের আমরা সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে চলেছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads