গাইবান্ধায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

গাইবান্ধায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

  • গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০

গাইবান্ধায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গাইবান্ধা জেলায় ইরি-বোরো ধানের ফলন ভালো হবে। গত বারের থেকে বাজারে এবার ধানের দাম বেশি। এতে করে কৃষকদের স্বপ্ন শতভাগ পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করা যাচ্ছে। বোরো আবাদের ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫লাখ ৪৭ হাজার টন।

এরমধ্যে ৮৭ হাজার ৫শ ৯৬ হেক্টর জমিতে উফশি ৩ লাখ ৫২ হাজার ৩শ ৫০ টন । ৫০০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের ধানে, ৯৪৫ টন। ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান চাষ হয়েছে ১লাখ ২৫হাজার ৫০০ টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলায় মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা ধানের আবাদ করবে। এ থেকে আশা করা যাচ্ছে ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫ মেট্রিকটন চাল উৎপাদন হবে। সম্প্রতি ধানের বীজতলা রোপন শুরু হয়েছে।

তবে গতবারের চেয়ে এবার জমির পরিমাণ কমসহ চালের উৎপাদন কম।

গত ২০১৯-২০ রবি মৌসুমে ১ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে চাল উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৭ টন।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান- ২০২০-২১ রবি মৌসুমে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। এ থেকে প্রায় ৫লাখ ৪৭ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরো জানান,  কৃষকদের ধান ঘরে তুলতে কৃষি বিভাগ কৃষকদের নানান পরামর্শ প্রদান করছে ও করবে। ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা রোপন শুরু হয়েছে। ২৫ পার্সেন্ট হেক্টর জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছে। বীজ যেন নষ্ট না হয় সে জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সাদা পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখার পরামর্শ থাকবে। জমিতে ছত্রাক নাশক স্প্রে করার জন্য ২৫ শতক বীজতলায় ৪শ গ্রাম জীবসাম, ১৫০ গ্রাম পটাশ ও ২শ গ্রাম ফসফেট বা টিএসপি দেয়ার পরামর্শ থাকবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads