বাগেরহাট প্রতিনিধি:
পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে শনিবার সকাল থেকে কখনো রোদ আবার কখনো আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এমন বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে।দুপুরের দিকে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। প্রকৃতির এমন আচরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে উপকূলবাসীর মধ্যে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর এ খবরে উপকূল জুড়ে শঙ্কায় রয়েছে বেড়িবাঁধের পাশে আশ্রায় নেয়া মানুষগুলো। তবে জেলা প্রশাসন প্রাথমিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উপকূলবাসীর কাছে আতঙ্কের মাস মে। প্রতিবছর এই মাসের শেষে সুন্দরবন উপকূলে আছড়ে পড়ে বিভিন্ন প্রলয়ংকরী সব ঘূর্ণিঝড়। ৫ বছর আগে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জলোচ্ছ্বাস আইলাও আঘাত হেনেছিল এই মে মাসের ২৫ তারিখ। আগামী ২৬ তারিখে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’, এমন বার্তায় চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন নদী তীরবর্তী মানুষ।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো: খালিদ হোসেন জানান, গত বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। জেলার ৩৫৯ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।





