চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রামের হাটহাজারি উপজেলার নাঙ্গলমোরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বারের খরিদা ও মৌরশী সম্পত্তিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্তমান চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ ও মেম্বার নুরুল আলমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার মডেল থানায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবের উক্ত কাজ বন্ধ রাখার জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার নাঙ্গলমোরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড নজির আহমদ সওদাগর বাড়ির মসজিদের সীমানা ঘেঁষে দক্ষিণ পাশে হাটহাজারী মৌজার আরএস ১৫১১,১৫১০,১৫১৩ তৎ সামিল বিএস ১৭৬৬,১৭৬৫,১৭৫০ দাগে আকতার হোসেন ভুট্টো এর সাথে নজির আহমদ সওদাগর গংদের জমি নিয়ে সিমানা বিরোধ চলে আসছিলো। এ নিয়ে হাটহাজারী সহকারী জজ আদালতে আকতার হোসেন বাদী হয়ে অপর মামলা ৮১/২২ দায়ের করেন এবং মামলার বাদির আর্জির প্রেক্ষিতে ২৫ মে ২০২২ সালে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্তায় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও গত ২৮শে মার্চ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন আকতার হোসেন ভুট্টো। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রাম্য আদালত
উভয় পক্ষের স্ব স্ব দাগাদারি জমির মধ্যেখানে পূর্ব থেকে স্থিতি সীমানা পাকা দেয়ালকে সীমানা দেয়াল হিসেবে চিহ্নিত করে পক্ষগণকে স্ব স্ব অবস্থানে স্বত্ব দখল বজায় রাখা আদেশ দেয়া হয় এবং বিবাদীগণের দাবির কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারে আক্তার হোসেন ভুট্টু বলেন বলেন , চেয়ারম্যানও মেম্বার ইউনিয়ন পরিষদের সকল গ্রামপুলিশ নিয়ে শুক্রবার সকালে জোর করে রাস্তার কাজ করার সময় আমি সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করেছি কিন্তু পুলিশ আসেনি। এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মডেল থানায় পৃথকভাবে অভিযোগও দিয়েছি তারপরও সহযোগিতা পায়নি।
তিনি বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব নিজেও লাভ করলেন, শ্যালককেও লাভ করিয়ে দিলেন এবং ২/১টা পরিবার কেও লাভ করিয়ে দিলেন শুধু ক্ষতি করলেন আমার ওনি কি জনদরদী চেয়ারম্যান!
নাঙ্গলমোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ জানান, এলাকাবাসীর উন্নয়নের স্বার্থে সড়ক করেছি। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমার জানা নেই। আকতার হোসেন ভুট্টো যদি প্রমাণ করতে পারে তার জায়গা। তাহলে আমি নিজেই আবার সেই রাস্তা বন্ধ করে দেব।
এ বিষয়ে হাটহাজারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিয়াজ মোরশেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদক কে বলেন বিষয়টা আমি অবগত আছি।যেদিন রাস্তার কাজটি চলছিল সেদিন ভুট্টু মেম্বার আমাকে ফোন দিয়ে অবগত করেন।আমি সাথে সাথে চেয়ারম্যান কে ফোন দিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলি।নিষেধাজ্ঞা আছে এমন জায়গায় বরাদ্দ কেন দিল জানতে চাইলে তিনি বলেন নিষেধাজ্ঞা আছে এরকম কোন খবর আমি পাইনি এবং চেয়ারম্যান ও আমাকে অবগত করেননি।চেয়ারম্যান একজন জনপ্রতিনিধি তারা যেকোনো সময় যেকোনো মুহূর্তে আমার কাছে প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন আমরাও প্রকল্প দিয়ে থাকি।কিন্তু আমরাও সব সময় জনপ্রতিনিধিদের বলে থাকি বিরোধ আছে এমন জায়গায় কাজ না করতে।
এ প্রসঙ্গে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম মশিউজ্জামান বলেন,নির্বাচনে তফসিল নিয়ে ব্যস্ততার কারণে আমি এটি দেখার সুযোগ পাইনি।আমি এখন এটি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব





