চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩৩৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে ৩১তম বার্ষিক সভায় এই বাজেট উপস্থাপন করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ।
চলতি অর্থ বছরে প্রস্তাবিত মূল বাজেট ৫০৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা চাহিদার অনুকূলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য নিজস্ব আয় ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকাসহ মোট ৩৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশন বরাদ্দ দেয়। বাস্তবতা যাচাই বাছাই করে ৩৩৯ কোটি ১৮ লাখ টাকার বাজেট প্রণয়ন করা হয়। মোট বাজেটের মধ্যে ৬৬৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে।
ঘোষিত বাজেটে দেখা যায়, প্রতিবারের মতো এবারও বাজেটের বেশিরভাগ ২১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে।
পেনশন ও অবসর, গবেষণা ও অন্যান্য অনুদান বাবদ ৬৫ কোটি ২০ লাখ টাকা, পণ্য ও সেবা বাবদ ৫৬ কোটি ২৮ লাখ, এবং বিশেষ মূলধন অনুদান বাবদ ৫০০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বাজেট অধিবেশনে রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার বলেন, “ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার তুলনায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে প্রাপ্ত বাজেট অপ্রতুল। তাই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ উৎস হতে আরো আয়ের ব্যবস্থা করতে চাই।”
তিনি বলেন, " একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বাৎসরিক ফি আদায় করা হয় ১৭৭৫ টাকা এবং একজন শিক্ষার্থীর পেছনে বাৎসরিক ব্যয় ১ লাখ ৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।
সভায় সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, চাহিদার তুলনায় গবেষণা বাজেট খুবই অপ্রতুল। গবেষণা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়াতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান মহিলা সাংসদ ওয়াসিকা আয়েশা খান চাকসু নির্বাচনের দাবি জানান।
আলোচনায় অংশ নেন সরকার, স্পীকার ও চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত ১৫ সদস্য সহ বিভিন্ন ক্যটাগরির সদস্যরা।





