চলতি অর্থ বছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বেঁধে দেওয়া বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে। এ বন্দরে চলতি (২০২০-২১) অর্থ বছরে সরকার রাজস্ব পেয়েছেন ২২০ কোটি ২৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৯১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রায় ২৯ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে এই বন্দরে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছেন হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম।
হিলি কাস্টমস সুত্রে জানা যায়, গত অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১৩৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। বর্তমান চলতি অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ২২০ কোটি ২৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। চলতি অর্থ বছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলবায় রাজস্ব আদায় হয়েছে ১১৪%। আবার গত অর্থ বছরের রাজস্ব আদায়ের তুলনায় রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে ১৬২%।
গত ফেব্রুযারি এক মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪৭ কোটি ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৫ টাকা।
হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা বলেন, আগের চেয়ে এই বন্দরে আমরা অনেক সুবিধা ভোগ করছি। বন্দরে আমরা কোন প্রকার হয়রানির শিকার হচ্ছে না। ভারত থেকে পণ্য আমদানির সাথে সাথে আমরা আনলোড করে সহজেই বন্দর থেকে বেড় হতে পারছি।
তারা আরও বলেন, বর্তমান হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম আছেন। তিনি সব সময় আমাদের সুবিধা অসুবিধার দেখবাল করছেন। প্রতিনিয়ত তিনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। বাহির থেকে আসছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা, এখানে ব্যবসা করতে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, বর্তমান এ বন্দরে পণ্য আমদানি হচ্ছে তা সবগুলোই শুল্কযুক্ত। আর শুল্কযুক্ত হওয়ার কারণে গত অর্থ বছরের চেয়ে চলতি অর্থ বছরে রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিলি পৌর মেয়র ও আমদানি কারক জামিল হোসেন চলন্ত জানান, হিলি স্থলবন্দর এখন ব্যবসায়ীবান্ধব হওয়ায় আমরা এ বন্দর দিয়ে পণ্য বেশি আমদানি করছি। এছাড়া যদি হিলির রাস্তা ঘাট দ্রুত সংস্কার হয় তাহলে আরও আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছি।
হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম বলেন, সরকার বেঁধে দেওয়া রাজস্ব আদায়ের চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হচ্ছে এবন্দরে। ২০২০-২১ অর্থ বছরে রাজস্ব ২২০ কোটি ২৮ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। আমি আমদানি-রপ্তানি কারকদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখছি। তাদের যে কোন সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করি।





