চলনবিলে নির্বিচারে চলছে বক নিধন

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

চলনবিলে নির্বিচারে চলছে বক নিধন

  • জাহাঙ্গীর আলম, চাটমোহর (পাবনা)
  • প্রকাশিত ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বৃহত্তম চলনবিলের অধ্যুষিত উপজেলাগুলোতে চলছে নির্বিচারে বক নিধন। খাল-বিল, জলাশয়গুলো যাচ্ছে শুকিয়ে। শুকিয়ে যাওয়া এসব জলাশয়ে মিলছে পুঁটি, খলসে, দারকেসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট ছোট মাছ। এসব মাছ খাওয়ার লোভেই চলনবিলে আশ্রয় নিয়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে বকের দল। এক শ্রেণির লোভী মানুষ সুযোগ নিয়েছে এসব বক শিকারের। তারা চলনবিলের বিভিন্ন জায়গায় খুঁটি পুঁতে কলাপাতা, খেজুর ডাল দিয়ে বিশেষ কায়দায় তৈরি করেছেন ফাঁদ। এসব ফাঁদের সামনে একটি বাঁশের মগডালে রাখা হয় শিকারি বক। বকের ঝাঁক যখন নির্মিত ফাঁদের ওপর দিয়ে দল বেঁধে উড়ে যায়, তখন শিকারি বকটিকে নাচাতে থাকে। এক পর্যায়ে শিকারি বকটি ডাকাডাকি শুরু করলে বকের ঝাঁকটি বিশেষভাবে নির্মিত ফাঁদ ঘরের ওপর বসে। তখন শিকারি ভেতর থেকে একে একে বক ধরে খাঁচায় ভরে। পেশাদার ও শৌখিন শিকারিরা প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক বক শিকার করে প্রকাশ্যে বাজারে বিক্রি ও ভূরিভোজ করছে।

চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল গ্রামের জাকির হোসেন বলেন, এ এলাকার বিলে প্রতিদিন এক থেকে দেড়শ বক শিকার হচ্ছে। শিকার করা প্রতি জোড়া বক ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রিও হচ্ছে।

উপজেলার পৌর সদরের নতুন বাজার এলাকার

ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জানান, মাঝের মধ্যে পৌর সদরের মোড়ে সকালে বক বিক্রি করতে দেখা যায়। শিকারিরা চড়া দামে বক বিক্রি করে।

চাটমোহর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম, যে-কোনো ধরনের পাখি শিকার করা আইনত দণ্ডনীয়। চলনবিলে সমন্বিতভাবে পাখি শিকার বন্ধ করতে হবে। তবে শিকারিদের পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads