করোনা সন্দেহে চাঁদপুর সদরে ৩টি বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশদের সাথে নিয়ে ওই ৩টি বাড়ী লকডাউন করে দেয়।
আজ সোমবার দুপরে সদর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চাঁপিলা তালুকদার বাড়ি, গাজী বাড়ি এবং ৯নং ওয়ার্ড গুলিশা গ্রামের মীর বাড়ি করোনা সন্ধহে লকডাউন করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ দেয়া পর্যন্ত ওই বাড়ী থেকে কেউ বের হতে বা ঢুকতে পারবেনা।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার নির্দেশে বালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মিজি গ্রাম পুলিশের সহযোগীতায় ৩টি বাড়িতে লাল পতাকা টাঙিয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে ওই এলাকাটি লকডাউন করা হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হওয়া ওই স্থান থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৩ ব্যক্তি লকডাউন চলমান অবস্থায় পালিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এঅবস্থায় এলাকার লোকজন তাদেরকে দেখে নানান কথা বলতে শুরু করে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে পারলে তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ৩টি বাড়ি লকডাউন করে দেয়ার নির্দেশনা দেন।
পাশাপাশি ৩ বাড়ির লোকদের হোমকোয়ারেন্টাইনে নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মিয়াজী বলেন, আমরা নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ৩ ব্যক্তিকে নিজের ঘরে একটি রুমে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে এবং তাদের পরিবারকে দুরুত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছি। আর ৩ জনের বাড়িতেই লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছি যাতে করে এলাকার লোকজন সচেতন থাকতে পারে।





