চাঁদপুরে জাটকা নিধনের দায়ে ৩৮ জেলের কারাদন্ড

ছবি : বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

চাঁদপুরে জাটকা নিধনের দায়ে ৩৮ জেলের কারাদন্ড

  • চাঁদপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ মার্চ, ২০২০

মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নদীতে ইলিশসহ যে কোন মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা নিধন করায় পহেলা মার্চ থেকে ১৬মার্চ পর্যন্ত ৩৮জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সে নিয়োজিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

আজ সোমবার সকালে চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কার্যালয়ে অভয়াশ্রমকালীন সময়ের জন্য খোলা কন্ট্রোল রুম থেকে ই-মেইলে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। একই সাথে বয়স কম হওয়ায় এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইনে আটক জেলেদের কাছ থেকে একলাখ ৮হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

ইলিশের পোনা জাটকা রক্ষায় মেঘনা নদীর চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজেন্ডার পর্যন্ত একশ কিলোমিটার এলাকায় অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে সরকার।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, জাটকা রক্ষার ১৫দিনে টাস্কফোর্স ১৬৫টি অভিযান পরিচালনা করেছেন। মাছঘাট, আড়ৎ ও বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে এক হাজার ১৫৯টি। জাটকা জব্দ করা হয়েছে ২.২৪৮ মেট্টিক টন।

সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্টজাল জব্দ করা হয়েছে ৮৭ লাখ ৭হাজার বর্গমিটার। যার আনুমানিক মূল্য ১৭কোটি ৫৪লাখ টাকা। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে ২৮টি এবং মামলা হয়েছে ৯টি।

এদিকে মেঘনা উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও এক শ্রেনীর অসাধু জেলে রাতে ও প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়ে দিনের বেলায় জাটকা নিধন করছেন। নিধনকৃত জাটকাগুলো মেঘনার পশ্চিম পাড়ের চরাঞ্চলে ভাসমান আড়তে বিক্রি করা হচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী বলেন, অভিযানে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দকৃত জাটকা ও ইলিশ মাছ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশ মোতাবেক স্থানীয় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads