কক্সবাজার জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর কক্ষ থেকে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকালে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আইয়ুব আলী নামের এই কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ডাক বাংলোর কেয়ারটেকার জাফর জানান, আমাদের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আইযুব আলী বুধবার সকালের এসে আমাকে বলেছে চকরিয়া তার গ্রামের বাড়ি থেকে তার বাবা মা আসবে তাই একটি খালী রুম প্রয়োজন তাই আমি ১৯ নাম্বার রুমের চাবি দেই। মাঝখানে কয়েক বার তাকে আমি জিঙ্গেস করেছি তার বাবা মা এসেছে কি না না আমার নির্ধারিত গেস্ট আসবে রুম ছেড়ে দিতে। পরে আমি দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে তার রুমের দিকে গিয়ে দেখা গেছে ফেনের সাথে তার লাশ ঝুলছে পরে আমি চিৎকার করলে অন্যান্য কর্মচারীরা এগিয়ে আসে পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
আইযুব আলী জেলা পরিষদের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী তার স্ত্রী মমতাজ বেগম জেলা জজ আদালতের কর্মচারী তাদের ঘরে একটি মেয়ে সন্তান আছে বলে জানান জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক আবদুল মান্নান। তবে কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যাইনি বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বিকালে নিহত আইয়ুব আলীর বাবা ছৈয়দ হোসন ভাবী রেহেনা জান্নাতসহ অনেক আত্বীয় স্বজন আসে এ সময় তারা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা যতটুকু জানি আইয়ুব আলীর পরিবারের কিছু ঝামেলা চলছিল। সেটা নিয়ে প্রায় সময় সে আমাদের বলতো কিন্তু আমরা তাকে বুঝ দিতাম। তবে এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে সেটা বুঝতে পারিনি। এদিকে নিহত আইয়ুব আলীর স্ত্রী মমতাজ বেগম দাবী করেন তার স্বামীকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে আত্মহত্যার জন্য বাধ্য করা হয়েছে। তিনি সময় নিয়ে সব খুলে বলবেন বলে জানান।





