কুমিল্লার নানুয়া দিঘীরপাড় পূজামণ্ডপ থেকে ১২ দিন আগে চুরি হওয়া গদা মণ্ডপের কয়েকশ গজ দূরের একটি ঝোপ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রথম দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় ইকবালের দেখিয়ে দেওয়া দারোগা বাড়ি মাজার সংলগ্ন বাড়ির সামনের ঝোপ থেকে হনুমানের গদাটি উদ্ধার করে পুলিশের সমন্বিত একটি দল।
অভিযানকালে ইকবালকে সাথে নিয়ে আসে পুলিশ। এসময় তার দেখানো জায়গা থেকে গদাটি উদ্ধার করা হয়। সিআইডির একটি ফরেনসিক টিম গদা থেকে আঙ্গুলের ছাপ ও এর আশপাশে পাওয়া অন্যান্য বস্তু উদ্ধার করে আলামত হিসেবে জব্দ করে।
গত ১৩ অক্টোবর শারদীয় দুর্গাপূজা চলাকালে নানুয়া দিঘির পাড়ের মণ্ডপে হনুমানের মূর্তির পায়ে পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে মূর্তির গদাটি নিয়ে যায় ইকবাল হোসেন। গদাটি হাতে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরাঘুরির পর গদাটি ফেলে দেয় ইকবাল। পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ও গদা নিয়ে ঘুরাঘুরির চিত্র ধরা পড়ে বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। এসব ঘটনার পর ইকবাল কুমিল্লা ছেড়ে পাড়ি জমায় কক্সবাজারে। গত ২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে গ্রেপ্তার হয় ইকবাল।
পরে ইকবালসহ এ মামলার চার আসামিকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত প্রত্যেক আসামির ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে গতকাল রোববার রাতে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে গদাটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম. তানভীর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিমসহ জেলা পুলিশ, সিআইডি ও গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।





