পটুয়াখালীর দুমকিতে অবৈধ ভাবে সরকারী রেকর্ডিও খাল থেকে স্যালো পাম্পের ‘ঠাটা’ মেশিনে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলনে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে। কোন ব্যাবস্থা না নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন।
উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া নেছারিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন গোদার খালে স্যালো পাম্পের ঠাটা মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের অবৈধ ব্যবসা শুরু করেছে। ওই খালের বিভিন্ন পয়েন্টে অন্তত: ৩০-৪০মিটার গভীরতায় বোরিং করে বালু উঠিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করত: বাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর, ডোবা, নীচু জমি ভরাট করা হচ্ছে।
লেবুখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মো. লিটন সিকদারের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলনের এ অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছেন বলে জানা যায়। এতে ভবিষ্যতে ওই গ্রামের প্রতিটি বোরিং পয়েন্টের ১৫০ থেকে ৩শ’ বর্গফুট এলাকা জুড়ে দেবে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে পরিবেশের ভারসাম্য বিনস্টের এমন অবৈধ বালু উত্তোলণ করা হলেও প্রশাসন রয়েছে নির্বিকার। অভিযোগ ওঠেছে, অবৈধ বালু উত্তোলনকারী চক্রের কাছ থেকে টু-পাইসের বখড়া নিয়ে পুলিশ রহস্যজনক নিরবতা পালন করছে।
ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষার্থে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, লোক মুখে অভিযোগটি শুনেছি। তবে কেউ লিখিত কোন অভিযোগ দেননি। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।





