দেড় কি.মি কাঁচা সড়কে ৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

পাবনার চাটমোহরের জাবরকোল ও পৈলানপুর গ্রামের কাঁচা সড়কে মানুষের দুর্ভোগের চিত্র

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

দেড় কি.মি কাঁচা সড়কে ৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

  • চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৭ অক্টোবর, ২০১৯

বৃষ্টির দিনে জুতার উপরিভাগ পর্যন্ত কাদা হয়। গরমের দিনে থাকে ধুলা। দেড় কিলোমিটার পরিমাপের সড়কটি সংযুক্ত করছে পাবনার চাটমোহরের জাবরকোল ও পৈলানপুর গ্রামকে। দুই গ্রামের বাইরে আশেপাশের ৪/৫ গ্রামের মানুষ এ পথে যাতায়াত করেন বিভিন্ন প্রয়োজনে। এ সড়কে চলতে-ফিরতে সারা বছরই কষ্ট করতে হয় এসব গ্রামের আনুমানিক ৫ হাজার মানুষকে। কিন্তু সড়কটি পাকা বা কার্পেটিংকরণের জন্য সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ এখনও চোখে পড়েনি ভুক্তভোগীদের।

জাবরকোল গ্রামের বাসিন্দার একজন আ.মালেক। পেশায় তিনি একজন ভ্যানচালক। সাধু ও আঞ্চলিক ভাষার মিশ্রণে বলছেন, ‘আকাশে মেঘ দেখলি বুকে কাপুনি হয়। বৃষ্টির দিন সকালে বের হয়েই কই- আল্লাহ এ কষ্ট কবে শেষ হবি। কষ্টের কথা আর কি কবো, ভ্যানের চাকা ধোয়া লাগে পরিবার লিয়া।

সমাজপতিদের একজন গোলাম রব্বান। বলছেন, রাতের বেলায় কাঁদা-পানিতে একাকার সড়কে চলতে-ফিরতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। পৈলানপুর গ্রামের বাসিন্দা মামুনের ভাষ্য, এই অল্পটুকু সড়কের জন্য দেড় কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা সদরে যেতে হয়। জিন্নাত আলির দাবি, সড়কটি পাকা হলে উপজেলা সদরে যেতে কম সময় লাগবে। টাকাও খরচ হবে কম। কালু প্রামাণিক জানান, জালেশ্বর গ্রামের মানুষও এ সড়কে যাতায়াত করবে। এখন জালেশ্বর গ্রামের মানুষকে ৪ কিলোমিটার ঘুরে সদরে যেতে হয়।

গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নরুল ইসলাম বলেন, গত বছরই সড়কটির কাজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পৈলানপুর গ্রামের সড়কটিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে কাজ হয়নি। এবার অনুমোদন পাওয়া গেছে। কাজ হবে।

উপজেলা প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন জানিয়ে তার পক্ষে কথা বলেন অধিদপ্তরটির প্রকৌশলী রাকিব হাসান। তিনি জানান, এ মাসের ১৬ তারিখে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ প্রস্তাবনার আওতায় সড়কটির এইচবিবি (ইট বিছানো)’র কাজ হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads