ধামরাইয়ে বর্ষাকালে করলার মাচায় লাউ চাষে লাভবান কৃষক

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

ধামরাইয়ে বর্ষাকালে করলার মাচায় লাউ চাষে লাভবান কৃষক

  • ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঢাকার ধামরাই উপজেলার দক্ষিণ এলাকার রোয়াইল ইউনিয়নের চরসুঙ্গর গ্রামে অন্যান্য সবজি চাষের পাশাপাশি করলার মাচায় লাউ চাষ করে লাভবান হয়েছেন কৃষক মো. আসমান খান। ফলে এলাকার কৃষকদের মাঝে লাউ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। কারণ লাউ চাষে সার, কীটনাশক ও মজুরি খরচ অন্য সবজি চাষের চেয়ে কম খরচে সবজিটির চাষ করা যায়। লাউ চাষে ফলন ভালো হওয়ায় লাভ বেশি। যার কারণে লাউ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। 

ধামরাই উপজেলার দক্ষিণ এলাকার চরসুঙ্গর বিষমুক্ত সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত। সবজি চাষে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ায় এলাকার লোকজন বিভিন্ন সবজি চাষে আগ্রহ রেড়েছে। এছাড়া চরসুঙ্গর এলাকা থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে সবজি নিয়ে যাতায়েত করার জন্য রাস্তা ভাল থাকায় সবজিও ভাল দামে বিক্রি করা যায়।বর্ষাকাল তারপরও জমিতে সবজির ফলন খুব ভালো হয়েছে বলে জানান চরসুঙ্গর এলাকার কৃষকরা।

ধামরাই উপজেলার চরসুঙ্গর এলাকার কৃষক মো: আসমান খান জানান, আমি প্রথমে ২৪শতাংশ জায়গায় করলা চাষ করি। সেখানে বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করে লাইলন সুতা ও জিআই তার এবং বাঁশের খুটির(ঝংলা)উপর করলা চাষ করতাম। করলা চাষ শেষ হলে সেই মরা গাছের মাঝে মাঝে লাউ গাছের বীজ বপন করলাম এতে মাত্র পাঁচশত টাকা খরচ হল। সেই বীজ থেকে আজ এমন ফলন হয়েছে প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকা লাউ বিক্রি হয়। বলা চলে আমার কোন খরচ ছাড়ায় এমন ফলন হয়েছে।

উপজেলার চরসুঙ্গর এলাকার মো: নুর ইসলাম জানান, আমি গতবছর এক বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছিলাম তাতেও লাভ ভালো হয়েছিল। সেই ঝাংলায় আবার লাউ চাষ করে ফলন ভালো হয়েছে। করলার মাচায় লাউ চাষ ভাল হয় কারণ করলার ঝাংলার মধ্যে লাউগুলি নিচের দিকে সারি সারি ভাবে ঝুলে আছে। এতে লাউয়ের গায়ে কোন রকমের দাগ লাগে না ফলে। বাজারে এর চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম ভাল।

চরসুঙ্গর এলাকার মেছের আলী বলেন, এক বিঘা জমিতে করলা চাষ করে আমার খরচ হয়েছে ১৫হাজার টাকা। আর সেউ খানে লাউ চাষ করে আমার খরচ হয়েছে ৭ টাকা। আবহাওয়া ভাল থাকে তাহলে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার লাউ বিক্রি করা যাবে।

এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,উপজেলা এই বছর প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ হয়েছে। সব ধরণের সবজি চাষীদের উপজেলা কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads