অভিযুক্ত আমির হোসেন আমু

অপরাধ

ধামরাইয়ে ভাগনীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামা গ্রেপ্তার

  • ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৩ জানুয়ারি, ২০২২

ঢাকার ধামরাইয়ে গাংগুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামে মামার হাতে ভাগনী ধর্ষণের ঘটনায় মোঃ আমির হোসেন আমুকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। এই ঘটনায় ভাগনী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে ডাক্তারী পরীক্ষায় ধরা পড়েছে। 

আজ রোববার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে সময় উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। 

ধর্ষক আমু ধামরাই উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের কাওয়াখোলা গ্রামের মোঃ ইজ্জত আলীর ছেলে। নির্যাতিতা মেয়েটি আমুর ফুফাতো বোনের মেয়ে। 

ভুক্তভোগি ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়, গত চার মাস আগে ভাগনী আমুর বাড়ীতে আমুর মেয়ের সাথে পাশে রুমে ঘুমায়। পরে আমুর মেয়ে বিছানা ছেড়ে প্রাইভেট পড়তে গেলে সেই সুযোগে আমু গোপনে মেয়ের সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভাগিনীকে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি চিৎকার করলে আমু তাকে ধারালো অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দিলে নির্যাতিতা মেয়েটি ও তার পরিবার চুপ হয়ে যায়। পরে গত এক মাস আগে মেয়ের বিয়ে হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে হলে মেয়েকে পরীক্ষা করানো হলে চার মাসের অন্তঃসত্ত্ব ধরা পড়ে। এর পর মেয়েকে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন আমু আমাকে জোর করে তার মেয়ের কক্ষে ধর্ষণ করে। আমি চিৎকার করলে আমু আমাকে ধারালো অস্ত্রের মুখে ভয় দেখালে আমি চুপ হয়ে যাই।

এই বিষয়ে মেয়ের মামা সাত্তার বলেন, আমু আমার আপন ফুপাতো ভাই। তাকে আমরা সব দিক দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকি। কিন্তু আজ সে কি করলো আমার ভাগনীকে। আমরা সমাজে মুখ দেখাতে পারি না। আমার ভাগনীকে কত টাকা খরচ করে বিয়ে দিয়েছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই আপনাদের কাছে।

এ বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাসেল মোল্লা বলেন, আমুর লালসার শিকার হয়ে তার ফুফাতো বোনের মেয়ে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এমন একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে ধর্ষক আমির হোসেন আমুকে কাওয়াখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads