ঢাকার ধামরাইয়ের গোমগ্রামের বিলে একটি মসজিদের মাছ ধরে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ ও মসজিদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে ওই মসজিদেরই সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী (৬২) ও আরো ৬/৭ জনের বিরুদ্ধে।
এঘটনায় শনিবার (০২ অক্টোবর) সকালে যাদবপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোমগ্রামের বায়তুল্লাহ জামে মসজিদ এর সামনে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও পরে ধামরাই থানায় কোরবান আলীর নাম উল্লেখ করে আরো ৬/৭ জনকে অজ্ঞাত দিয়ে একটি অভিযোগ করেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী জানান, গোমগ্রামের প্রায় ২শত একর জমির একটি বিলে মসজিদের উন্নয়নের সার্থে ১২/১৪ টি পুকুর, জমির মালিক ও এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে মাছ চাষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মসজিদের সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী অন্য গ্রামের ৬/৭ জন লোক নিয়ে মসজিদের নামে ছাড়া মাছ ধরে বিক্রি করে সেই অর্থ নিজেরা আত্মসাৎ করছে। এতে বাঁধা দিলে তাদের কোরবান আলী বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করে। এর এক পর্যায়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে গোমগ্রামের আঃ হক (৬৫) ও হারুনের (২৫) বাড়িতে অভিযুক্ত কোরবান ও তার সহযোগীরা হামলা চালায় এবং এই ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রধান করে।
স্থানীয় মোঃ আবদুল জলিল মিয়া জানান, আমরা মসজিদের উন্নয়নের সার্থে বিলে মাছ চাষের ব্যবস্থা করেছি। সেই মাছ মসজিদেরই সেক্রেটারি কোরবান অন্য গ্রামের লোকজন নিয়ে মাছ ধরে বিক্রি করে টাকা দার পকেটে ভরে৷ এতে যেই বাঁধা দেয় তাকেই হুমকি ধামকি দেয় কোরবান ওতার লোকজন। কয়েক দিন আগে দুইজনের বাড়িতে হামলা করেছে কোরবান ও তার লোকজন।
গোমগ্রাম বায়তুল্লাহ জামে মসজিদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হক জানান, মসজিদের মাছ এভাবে বিক্রি করতে বাঁধা দেয়ার কারণে কোরবান আলী আমার বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করেছে। আমিসহ আমার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে যদি এই ঘটানায় থানা পুলিশ করি তা হলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। আমি এখন খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। কোরবান কখন আবার আমার উপর হামলা চালাবে ঠিক নাই।
এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মফিজুর রহমান জানান, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





