নারায়ণগঞ্জের মসজিদে এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে শনিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৯ জনে পৌঁছেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডাক্তার পার্থ শঙ্কর পাল এ তথ্য জানিয়েছেন।
মৃতদের মধ্যে ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- রিফাত (১৮), মোস্তফা কামাল (৩৪), জুবায়ের (১৮), সাব্বির (২১), কুদ্দুস ব্যাপারী (৭২), হুমায়ুন কবির (৭০), ইব্রাহিম (৪৩), মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন (৪৮), জুনায়েদ (১৭), জামাল (৪০), জুবায়ের (৭) ও রাশেদ (৩৪), বাহাউদ্দিন (৫৫), নিজাম (৪০) ও রাসেল (৩৪)। বাকি ৪ জনের নাম এখনও জানা যায়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মোট ১৭ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।’
এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক চিকিৎসক সামন্ত লাল সাংবাদিকদের জানান, নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে মারা গেছেন ১১ জন। তাঁর ওই ব্রিফিংয়ের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত আর ৭ জনের মৃত্যু হয়।
চিকিৎসক সামন্ত লাল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অপর ১৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রায় সবারই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এশার নামাজের সময় মসজিদের সবগুলো এসি বিস্ফোরিত হয়ে প্রায় ৪০ মুসল্লি আহত হন। আহতদের মধ্যে রাতে একজনের মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানান, রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে বায়তুস সালাম মসজিদে মসল্লিরা নামাজ শেষ করার পরপরই এ ঘটনা ঘটে। একটি এসি বিস্ফোরিত হয়ে মসজিদের ভেতরে আগুন লেগে যায়। পরে, বাকি আরও ছয় এসির বিস্ফোরণ ঘটে।





