এ প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে কণ্ঠ শুনেই যার নাম খুব সহজে বলে দেওয়া যায়, তার মধ্যে অন্যতম নিশিতা বড়ুয়া। তার কণ্ঠ এবং তার ভিন্ন ধরনের গায়কীই খুব সহজেই তাকে আলাদা করতে সক্ষম। নন্দিত এই কণ্ঠশিল্পী স্টেজ মৌসুমে যথারীতি ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ফাঁকে ফাঁকে তিনি নিজের জন্য মৌলিক গানের জন্য যেমন কাজ করছেন, ঠিক তেমনি প্লে-ব্যাকেও সময় দিচ্ছেন তিনি। আর বাকিটুকু সময় এই ব্যস্ত মৌসুমে কণ্ঠকেও বিশ্রামে রাখছেন। কারণ এই মৌসুমে কোনোভাবেই কোনো রকম অসুখে থাকা যাবে না। এরই মধ্যে আবারো নিশিতা বড়ুয়া উপমহাদেশের প্রখ্যাত গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘কপাল পুড়লো’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এটি একটি সিনেমার গান। গানটির সুর-সংগীত করেছেন আবিদ রনি। জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘সোনার চর’ সিনেমার জন্য গানটির রেকর্ডিংয়ের কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া প্রসঙ্গে নিশিতা বলেন, ‘এর আগেও গাজী স্যারের লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছি। এই নিয়ে তার লেখা গানে তৃতীয়বারের মতো কণ্ঠ দিলাম। গানের কথা, সুর-সংগীত সবমিলিয়ে খুব ভালো একটি গান হয়েছে। দেখা যাক, সিনেমাটি মুক্তি পেলে হয়তো গানটি শ্রোতা-দর্শকের ভালো লেগেও যেতে পারে।’
এদিকে যথারীতি নিশিতা বড়ুয়া স্টেজ শোতে ব্যস্ত রয়েছেন। আজ সকালে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। রাতে সিলেট ক্যাডেট কলেজে ‘ওল্ড ক্যাডেটস অ্যাসোসিয়েসন অব সিলেট (ওকাস) আয়োজিত পুনর্মিলনীতে সংগীত পরিবেশন করবেন তিনি।
নিশিতা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রিয় প্রিয় শহরের মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয় একটি শহর সিলেট। এই পুণ্যভূমিতে যেতে সব সময়ই আমার ভীষণ ভালো লাগে। আর এবার তো শো হচ্ছে ক্যাডেট কলেজে। তাই ভালো লাগাটা একটু বেশিই বটে। আশা করছি শোটি দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠবে।’
সিলেটে শো শেষ করে তিনি হবিগঞ্জে একটি শোতে অংশ নেবেন। এরপর আবার সিলেটে যাবেন তিনি। তারপর ঢাকায় ফিরে আরো দুটি শোতে অংশ নেবেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামেও একটি শোতে অংশ নেবেন তিনি। নিশিতা বড়ুয়া প্রথম প্লে-ব্যাক করেন মোহাম্মদ হোসেন জেমী পরিচালিত ‘বাজাও বিয়ের বাজনা’ সিনেমাতে। এরপর আরো বেশ কিছু সিনেমায় প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি। কিছুদিন আগে নিশিতা ‘পায়রার চিঠি’ সিনেমায় উপাসনা পূর্ণতা ও নীশিত সূর্যের লেখা, নীশিত সূর্যের সুরে, মীর মাসুমের সংগীতায়োজনে ‘বৈয়ামে শুঁয়োপোকা’ গানে কণ্ঠ দেন। এ গানটি নিয়েও ভীষণ আশাবাদী নিশিতা বড়ুয়া।





