করোনা পরিস্থিতিতে বাউফলে নায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ের নামে কেবলমাত্র ফটোসেশনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার সকালে পৌর সদরের পাবলিক মাঠ লাগোয়া পূর্ব দিকের সড়কের পাশে নীরবে অনানুষ্ঠানিক সম্পন্ন হয় ওই ফটোসেশন। উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের কয়েকজন ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) ব্যানারে ওই ফটোসেশনে সহোযোগিতা করেন। আর ফটোসেশনে ব্যাবহূত ব্যানারে উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) সহোযোগিতায় ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ের কথা।
জানা গেছে, দশ দিনের সরকারি এক প্রকল্পের আওতায় করোনার লকডাউনে প্রাণিজপুষ্টি নিশ্চিত করণে খামারিদের কাছ থেকে দুধ, ডিম ও মাংস সংগ্রহ করে ক্রেতা সাধারণের মাঝে নায্যমূল্যে বিক্রির পরিবর্তে কেবলমাত্র ফটোসেশন করেছেন। প্রাণিসম্পদ অফিসের কয়েকজন মিলে পৌর সদরের এক মুরগি বিক্রেতার মুরগির ভ্যানে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র নামের এক ব্যানার টানিয়ে দেয়। ফটোসেশনের জন্য দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়, পাশের মুরগি দোকানিদের কাছ থেকে মুরগি ক্রয় করা কয়েকজনকে। তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হয় ফটোসেশন। তবে এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুরগি ব্যবসায়ীরা। পাবলিক মাঠ এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ব্যানারে লেখা ডিম, দুধ ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র; অথচ তারা কোনো ডিম, দুধ ও মাংস সংগ্রহ বা বিক্রয় করেনি। আমাদের কয়েক ক্রেতাকে ব্যানারের সামনে দাঁড় করিয়ে ছবি তুলে সটকে পড়েছেন প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকেরা। ব্যানার আর কাজের মিল কই? সরকারি কর্মচারী হয়ে নিদারুণ এই করোনাকালে তারা এমন প্রতারণা কীভাবে করে?’
উপজেলা প্রণিজসম্পদ কর্তকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা খামারিদের সহোযোগিতা করে যাচ্ছি।





