জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় নায়িকা গত শুক্রবার সপরিবারে নিজ জন্মস্থান খুলনার শিবাবাড়ির জমিদার বাড়িতে গিয়েছেন। বছরের দু-একবার তিনি সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে। টানা বেশ কয়েকদিন নিজের মতো করে সময় কাটিয়ে তারপর তিনি ঢাকায় ফেরেন। এবারো ঠিক তাই, টানান কয়েক দিন সেখানে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়িয়ে, বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে তারপর ঢাকায় ফিরবেন। এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে মানুষের মৃত্যুর কারণে বাংলাদেশেও এখন করোনার প্রভাব পড়ছে। তাই আপাতত পপি অভিনীত কোনো সিনেমার শুটিং রি-শিডিউল করে হচ্ছে না। যে কারণে অনেকটা রিল্যাক্স মুডেই তিনি খুলনাতে আছেন নিজ জন্মস্থানে। তবে কিছুটা আতঙ্কিতও আছেন পপি। কারণ দেশে যদি করোনার প্রভাব মহামারি আকারে শুরু হয় তখন কী যে হবে তা বলা যাচ্ছে না। এদিকে প্রতিনিয়তই পপি নতুন নতুন সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব পান। কিন্তু বেশির ভাগ সিনেমার গল্পে তেমন বৈচিত্র্য পান না তিনি। কথা প্রসঙ্গে পপি বলেন, সত্যি বলতে কি গল্পে খুব বেশি যে নতুনত্ব পাই, তা নয়। তবে কেউ কেউ চেষ্টা করেন ভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে হাজির হতে। আমার জীবনের গল্প নিয়েই কিন্তু সিনেমা হতে পারে। খুলনাতে গেলে আমার দুই ছোট্ট বেলার বান্ধবী শিমু ও শিউলীর সঙ্গে দেখা হয়ই। যদিও বা শিমু ঢাকায় থাকে। তার সঙ্গে ঢাকাতেই দেখা হয়। শিমু ও শিউলী আপন দুই বোন। কিন্তু দুই বোনই আমার স্কুলের বান্ধবী। আরো দুজন বান্ধবী আছে আমার মনি ও মায়া। তাদের সঙ্গেও ঢাকায় এলে দেখা হয় আমার। এই যে বান্ধবীদের জীবনের গল্প, সিনেমার গল্প কিন্তু এখান থেকেও হতে পারে। আমরা পাঁচ বান্ধবী একে অন্যের খুব প্রিয়। চেষ্টা করি সবাই সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। সিনেমার গল্প এই পাঁচ বান্ধবীকে ঘিরেও গতে পারে। সত্যি বলতে যার যার জীবনের ঘটনা, বা তার আশপাশের ঘটনা থেকেও কিন্তু সিনেমার গল্প হতে পারে। এভাবেই কিন্তু সময়ের ধারাবাহিকতায় সিনেমার জীবনের গল্প বদলে যায়। আমার বিশ্বাস যারা সিনেমার কাহিনী রচনা করেন তারা বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন, গল্পের প্লট নিয়ে আরো বেশি ভাববেন। এদিকে সম্প্রতি ‘ফিল্ম ক্লাব’ আয়োজিত পিকনিকও চলে এসেছে সাফল্যের আলোচনায়। এই পিকনিকে চিত্রনায়িকা পপিরও বেশ অবদান ছিল। কারণ তিনি এই ক্লাবের মেম্বার ইনচার্জ কালচারাল অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট, সেকেন্ড ইনচার্জ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পপি জানান এরই মধ্যে প্রায় শেষ করেছেন সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘সাহসী যোদ্ধা’ সিনেমার কাজ। কিছুটা কাজ হয়ে থেমে আছে আরিফ পরিচালিত ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার কাজ।





