ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।
তিনি বলেন, দেশে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। পাশাপাশি মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে টিসিবির ট্রাকসেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য সচিব বলেন, এতদিন রাজধানীতে ১৬টি ট্রাকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পেঁয়াজ বিক্রি করতো। মঙ্গলবার থেকে ৩৫টি ট্রাকে করে পেঁয়াজ বিক্রি হবে।
টিসিবি কতদিন পেঁয়াজ বিক্রি করবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী বিক্রি করা হবে। যতদিন বাজার স্বাভাবিক থাকবে ততদিন বিক্রি করা হবে।
ট্যারিফ কমিশনের তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন ৬ হাজার টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী অঞ্চল ফরিদপুর, পাবনাসহ সারাদেশে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৩ লাখ টন পেঁয়াজ চাষী ও ব্যবসায়ীদের কাছে মজুদ আছে। যা দিয়ে আগামী ৫০ থেকে ৫৫ দিন দেশের পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো সম্ভব। আর এই সময়ের মধ্যে দেশে নতুন পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। ফলে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতার কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, এসব মজুদ পেঁয়াজ যাতে স্বাভাবিকভাবে বাজারে সরবরাহ করা হয় এবং বাজারের কোনো পক্ষ যাতে কারসাজি করতে না পারে সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১০টি তদারকি টিম গঠন করেছে। এই টিমগুলো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। ফলে আশা করা যাচ্ছে, পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক থাকবে।
কেউ অসৎ উদ্দেশে পেঁয়াজের সঙ্কট সৃষ্টি করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।





