কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকা থেকে একটি পাইপগান, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি চাপাতিসহ দুইজন অস্ত্রধারীকে আটক করেছে র্যাব-১৪,সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা । র্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানায়।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার কড়িয়াইল নতুন বাজার চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় তাদের অস্ত্রসহ আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন—মনোকর্শা গ্রামের মৃত আ. খালেকের ছেলে মো. নবী হোসেন (৪৯) ও সোহরাব মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (২৪)।
র্যাব জানায়, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের রাত্রিকালীন টহল টিম গতকাল রাতে সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী ও অবৈধ মালামাল উদ্ধার অভিযানসহ নিয়মিত টহল ডিউটির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন কর্শাকড়িয়াল নতুন বাজার হইতে মনোকর্শা গ্রামগামী পাঁকা রাস্তায় চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় রাত ১টা ৪৫মিনিটে দুইজন অজ্ঞাতনামা
ব্যক্তি র্যাবের চেকপোস্টের নিকট আসলে র্যাবের চৌকশ ও অভিযানিক দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে এবং দেহতল্লাশি করে।
দেহ তল্লাশি করার সময় তাদের নিকট হইতে ১টি ধারালো চাইনিজ কুড়াল, ১টি চাপাতি এবং ১টি পাইপগান উদ্ধার করে। এ সময় এদের মধ্যে দেলোয়ারের নিকট থেকে একটি পাইপগান এবং নবী হোসেনের নিকট থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
অস্ত্রের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায় যে, তাদের সাথে ব্যাটারী চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলের পাশেই তাদের প্রতিবেশী মো. ওসমান আলীর সাথে তাদের বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরে তারা উল্লিখিত দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে মো. ওসমান আলীকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর জন্য বেআইনিভাবে অস্ত্র নিয়ে তারা মো. ওসমান আলীর বাড়ির দিকে যাচ্ছিল।
শনিবার (২৯জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের ক্যাম্পের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে র্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো.আশরাফুল কবির সাংবাদিকদের কে এসব তথ্য জানান।
উক্ত বিষয়ে আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের মাধ্যমে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।





