গত শনিবার (১৪ মার্চ) বাগেরহাটের ফকিরহাটে বাস ও ট্রাক সংঘর্ষে ৮জন নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। এদরে মধ্যে বরগুনার তালতলী উপজেলার একজন স্কুল শিক্ষিকাও রেয়েছেন।
নিহতরা হলেন মঠবাড়িয়ার লিয়াকত হোসেনের ৪মাসের শিশু কন্যা রাফিজা খাতুন, বরগুনার তালতলী উপজেলার বতিপাড়া গ্রামের সগীর খানের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা হামিদা বেগম (৪০), মাদারীপুরের গাছিয়া এলাকার জগদীশ হালদারের পুত্র অপূর্ব হালদার (৩৫), মাদারীপুরের আব্বাস উদ্দিন (৪৫), পিতা-অজ্ঞাত, খুলনা সাচিবুনিয়ার শিরু মিয়ার স্ত্রী রুমি আক্তার (৩৫), কুষ্টিয়ার বটতলা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান (২২), দাকোবের ধোপাদী গ্রামের চিত্ত রঞ্জন গাইনের স্ত্রী শোভা রানী গাইন (৪৮) ও পাটকেলঘাটার কুমিরা গ্রামের দুলাল দাশের কন্যা পার্বতী দাশ (৩৫)।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে বাস ও ট্রাকের চালক বা হেলপার আটক হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মোঃ খায়রুল আনাম।
উল্লেখ্য, বাগেরহাট-মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাটের কাকডাঙ্গা নামকস্থানে শনিবার বিকাল ৪টায় যাত্রীবাহী রাজিব পরিবহনের সাথে লোহার রড বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়।
আর আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশুসহ ২জন নিহত হয়। এদিন রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২জন ও সিটি মেডিকেল হাসপাতালে ১জন মারা যায়।
দুর্ঘটনায় ৮জন নিহতদের মধ্যে ৪জন নারী, ৩জন পুরুষ ও ১জন শিশু রয়েছে।





