ফুটেছে দুর্লভ মে ফ্লাওয়ার

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

ফুটেছে দুর্লভ মে ফ্লাওয়ার

  • আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৮ মে, ২০২২

শৌখিন বাগানপ্রেমী সাবেক কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা মো. ইকবাল আহাম্মদ খান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। শখের বসে তিনি বাড়িতে করেছেন নানা প্রজাতির ফুলের বাগান। রোপন করেছিলেন মে ফ্লাওয়ার গাছও । তার বাগানে ফুটেছে দুর্লভ মে ফ্লাওয়ার ফুল।

মূলত মে মাসে মে ফ্লাওয়ার ফুলটি প্রকৃতিতে তার অস্তিত্ব ও সৌন্দর্য জানান দেয়। বছরের অন্য সময় এই ফুলটি ফুটতে দেখা যায় না। ফায়ার বল, বল লিলি, গ্লোব লিলি, আফ্রিকান ব্লাড লিলি ইত্যাদি নামে এই ফুলটি পরিচিত। তবে ফুল ফোটার ব্যাপ্তি মে মাসজুড়ে। এ ফুলের আয়ুস্কাল এক সপ্তাহর বেশী হয় না ।

সাধারণত মে মাসে ফুটে বলে ফুলটিকে মে ফ্লাওয়ার বলা হয়। ফুল ধরার কিছুদিন পর এর গাছ মাটিতে মিশে যায়। গ্রীষ্মের আগমনে মাটি ভেদ করে ফুলের ডাঁটা বের হয়, ফুলের কলি জন্মে আর মে মাসের শুরু থেকেই উজ্জ্বল লাল রঙের মাঝে হলুদ-সাদা আভার মিশ্রণে গোলাকার বল আকৃতির ফুল ফোটে। গড়নের দিক থেকে কদম ফুলের মতো। তবে আকারে আরও বড়। ফুল গন্ধহীন। ফুটন্ত ফুল দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। যে কারও মন জয় করতে পারে। পাপড়ি ও পুংকেশর অসমান। এই ফুলটি রক্তিম শোভায় উজ্জ্বল হয়ে প্রকৃতিতে দারুণ সৌন্দর্য ছড়ায় । বাগানপ্রেমী মো: ইকবাল আহাম্মদ খানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ফুলবাগানে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য নিয়ে ফুটে উঠেছে মে ফ্লাওয়ার ফুল। ফুলটি ঘ্রাণহীন হলেও মে ফ্লাওয়ারের ফুলের সৌন্দর্য সবার নজর কাড়ছে। ফুলটিকে ঘিরে অনেকেই মেতে উঠে মুঠোফোনে ছবি ও সেলফি তোলার প্রতিযোগিতায়। তার বাড়িতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ রয়েছে। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি বাড়ির পাশাপাশি বিভিন্নস্থানে গাছ লাগান। এলাকায় তিনি বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।

বাগানপ্রেমী ও কৃষি ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার মো. ইকবাল আহাম্মদ খান বলেন, ছোট বেলা থেকেই ফুল বাগানের প্রতি শখ রয়েছে। এই শখ থেকেই নানা প্রজাতির ফুল গাছ দিয়ে বাগান করা হয়। এরমধ্যে মে ফ্লাওয়ার ফুল গাছ ও রয়েছে। মে ফ্লাওয়ারের আদি নিবাস আফ্রিকা হলেও আমাদের আবহাওয়ায় এই গাছ বেশ উপযোগী। তাই সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে এই ফুল গাছ লাগানো হয়। মে মাস আসায় তার ফুল গাছে মে ফ্লাওয়ার ফুল ফুটেছে। মে ফ্লাওয়ার বেশী দিন স্থায়ী থাকে না। ফুল ঝড়ে পড়ার পর পাতার সৌন্দর্য আরো কিছু দিন উপভোগ করা যায়।

ইকবাল আহাম্মদ খানের ছোট ভাই সাংবাদিক বাদল আহাম্মদ খান বলেন, 'আমার ভাইয়ের বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি ফলের গাছও রয়েছে। তিনি বাড়ির পাশাপাশি অন্যত্রও বিভিন্ন গাছ লাগান।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads