করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য বিআইডব্লিউটিএ নৌপথে যাত্রী পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করলেও আজ বুধবার মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ঢল নেমেছে। হাজার হাজার মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও স্পিডবোটে যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। এমনকি বড় নৌযান না পেয়ে কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে পদ্মা পার হচ্ছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দির উদ্দেশে ছেড়ে আসা যাত্রীবোঝাই একটি ট্রলার পদ্মা নদীর জাজিরা পয়েন্টে ডুবে যায়।
এতে বেশ কয়েকজন নিখোঁজ হয়। তাই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে চলাচল করা নৌযান যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কাঁঠালবাড়ি ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ সকাল থেকেই মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকলেও শিমুলিয়া থেকে কয়েকটি স্পিডবোট যাত্রীদের পারাপার করছে। অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে পাড়ি দিচ্ছেন পদ্মা নদী। তবে সিংহভাগ যাত্রীরা ফেরিতে পার হচ্ছেন।
আজ দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁঠালবাড়ি ঘাটের চারটি সংযোগে ব্যক্তিগত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। প্রতিটি ঘাটেই মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
শিমুলিয়া থেকে প্রতিটি ফেরিতে হাজার হাজার মানুষ কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এমনকি যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। যাত্রীর তুলনায় কাঁঠালবাড়ি ঘাটে গণপরিবহন কম।
ঢাকা থেকে আসা কয়েকটি যাত্রীবাহী বাস ছাড়া লোকাল কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছে না। তবে যাত্রীরা মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহনে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটে গন্তব্যে ছুটছে।





