বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।
তিনি বলেন, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে বর্নাঢ্য আয়োজনে যেভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হয় তা এর দৃষ্টান্ত উদাহরণ। সমাজের সব শ্রেণির মানুষ এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারলেই দুর্গাপূজার এই উৎসব সার্থক হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌরসদরের দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির (সবচেয়ে বড়) পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এর আগেও আমি মির্জাপুরে এসেছি। তবে এবারের আয়োজন আরো বেশি সুন্দর মনে হচ্ছে। পূজা দেখে আমি খুব আনন্দিত। একইসাথে হিন্দুধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।
এসময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার জাবেদ প্যাটেল।
এর আগে সকালে হাইকমিশনার কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় কুমুদিনী পরিবার। এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস.এম. মুনসুর মুসা, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ প্রদীপ কুমার রায়, সহকারি পরিচালক ডাঃ এবিএম আলী হাসান প্রমুখ। পরে কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্রে যোগ দেন অতিথিরা। সেখান থেকে কুমুদিনী ও ভারতেশ্বরী হোমস্ চত্বর পরিদর্শন শেষে লৌহজং নদী পার হয়ে রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজার আয়োজনে যোগ দেন হাইকমিশনার ও তার সফরসঙ্গীরা। এসময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) ভাষা সৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দি তাদের স্বাগত জানায়। পরে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে তিনি রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হয়।





