দিনের বেলায় ধুমধামে মেহমানদারি করেছে কনের স্বজনরা। বিয়ে শেষে রাতে কনে তুলে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল কনের পরিবার। এরি মধ্যে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার কাছে বিয়ের খবর চলে যায়। খবর পেয়েই বিয়ে বাড়িতে হাজির ইউএনও শেখ শামছুল আরেফিন।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের আক্তাপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পরে বাল্য বিয়ের অপরাধে বর জাহাঙ্গীর আলম (২২) কে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ইউএনও শেখ শামছুল আরেছিন। এ সময় বাল্য বিয়ে দেওয়ায় কনের মাকে ত্রিশ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে আক্তাপাড়া এলাকার পঞ্চম শ্রেনির (১৩) এক শিক্ষার্থীর সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল। দুপুরে বরের বাড়ির লোজনদের খাবার শেষে বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে খবর পেয়ে রাতে ইউএনও এসে বাল্য বিয়ে করার অপরাধে বর জাহাঙ্গীর আলমকে তিন মাসের করাদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় কনের পরিবারকে ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামছুল আরেফিন জানান, বাল্য বিয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের পথে অন্তরায়। এটা সামাজিক একটি ব্যধি। এ ব্যধি থেকে মুক্ত হতে আমাদের সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে। তিনি জানান বরের উপযুক্ত বয়স হলেও কনের বয়স ছিল কম। বাল্য বিয়ে করার অপরাধে বরকে তিন মাসের কারাদ- প্রদান ও শিশু কন্যাকে বিয়ে দেওয়ার অপরাধে কনের মাকে ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়েছে। বাল্য বিয়ের প্রচলিত আইন মেনেই এ সাজা প্রদান করা হয়েছে।





