বিএনপি নেতা ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ১৩ মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ এসব জামিন মঞ্জুর করেন।
মিলনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার গোলাম নবী। সরকার পক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ। আদালত থেকে বেরিয়ে গোলাম নবী জানান, বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এহছানুল হক মিলনকে গত ২৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে ১৭ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আমরা সবগুলো মামলায় জামিন চেয়েছি। আদালত ১৩টি মামলায় জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা চলমান। অন্য মামলাগুলোতে জামিন হলেই তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা থাকবে না। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সম্প্রতি দেশে ফেরেন। নিরাপত্তার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানালেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় অসুস্থ এহছানুল হক মিলন চট্টগ্রামে এক বন্ধুর বাসায় আশ্রয় নেন।
গত ২৩ নভেম্বর ভোরে চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মামুনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম চকবাজারের ৪৫২ গোয়াসি বাগান রোডের এক বন্ধুর বাসা থেকে মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদপুরে ২৬টি মামলা চলমান। এর মধ্যে ১৭টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
সরকার পক্ষের কৌঁসুলি ড. বশিরউল্লাহ বলেন, ১৩ মামলায় জামিন পেলেও মিলন এখনই কারামুক্ত হতে পারছেন না। জামিন আদেশের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করবে।





