বিমানবন্দরে নেই ভিআইপি তল্লাশির নীতিমালা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয়

বিমানবন্দরে নেই ভিআইপি তল্লাশির নীতিমালা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ মার্চ, ২০১৯

বিমানবন্দরে ভিআইপিদের নিরাপত্তা তল্লাশির বিষয়ে এ পর্যন্ত কোনো নীতিমালা হয়নি। একই সঙ্গে তাদের তল্লাশির ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞাও নেই। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিকবার এ নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এভসেকের এক কর্মকর্তা জানান, ভিআইপিরা বিমানবন্দরে আসার পর সবকিছুই তল্লাশি করা যাবে— এ সিদ্ধান্ত দিতে শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেবে বেবিচক। মন্ত্রীদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংসদ সদস্যদের জন্য স্পিকার, পুলিশের জন্য আইজিপিকে চিঠি দেবে মন্ত্রণালয়। সবকটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এদিকে গত ১০ মার্চ এক মন্ত্রী, ১২ মার্চ এক এমপির নিরাপত্তা তল্লাশি নিয়ে বিমানবন্দরে তোলপাড় শুরু হয়। এ নিয়ে মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। পাশাপাশি শাহজালালসহ সব কয়টি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। সব যাত্রীর জুতা, মোজাসহ সঙ্গে থাকা সবকিছুই তল্লাশি করতে বলা হয়। ঘোষণা না দিয়ে অস্ত্র নিয়ে কেউ বিমানবন্দরে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেফতার করতেও বলা হয়।

ভিআইপি নিরাপত্তা চেকিংয়ের ব্যাপারে শাহজালাল বিমানবন্দরে একটি গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, ভিআইপি নিরাপত্তা চেকিংয়ের ব্যাপারে কোনো নীতিমালা বা নিষেধাজ্ঞা নেই।

গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মেটাল আর্চওয়ে দিয়ে বডি চেক করায় বিমানবন্দরে ওই সময়ে ওই শিফটে ডিউটিরত কয়েক কর্মচারীর পোস্ট আউট করা হয়েছিল এবং লোজ নোট, লক নোট হয়েছিল। ঘটনাটি ছিল লন্ডন ফ্লাইটে। এ নিয়ে ওই সময় তোলপাড় শুরু হলে ভিআইপি নিরাপত্তা চেকিং নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কিছুটা ছাড়ের মনোভাব পোষণ করে। কিন্তু বর্তমানে বিমানবন্দর দিয়ে পিস্তল যাওয়ার কয়েকটি ঘটনায় নিরাপত্তা জোরদার করার পদক্ষেপস্বরূপ মন্ত্রী-এমপিরাও নিরাপত্তা তল্লাশির আওতায় এসেছেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৪টির মতো বিমান সংস্থা দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আর ৪৭টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বিমান চলাচল চুক্তি রয়েছে। বর্তমানে বিমান ও বেসরকারিসহ ১০-১২টি এয়ারওয়েজ যাত্রী পরিবহন ছাড়াও কার্গো বিমান ও হেলিকপ্টার সার্ভিস পরিচালনা করছে। প্রতিদিন ৩০-৪০ হাজার যাত্রী বিমানে যাতায়াত করেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads