মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরশহরে নির্বিঘ্নে হাঁটাচলার জন্য ফুটপাতে বসানো অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এতে প্রায় দুই শত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুর থেকে শহরের হাজীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ বাজার এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী। এসময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর হোসাইন, থানার (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরীসহ কাউন্সিলর বৃন্দরা।
এর আগে বুধবার পৌর শহরের দক্ষিণবাজার থেকে উত্তরবাজার পর্যন্ত-অবৈধ স্থাপনা তথা দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়।
বড়লেখা পৌরসভা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়লেখা পৌরসভার হাজিগঞ্জ বাজারের দুই পাশে অবৈধভাবে টং দোকান তৈরি ও সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর দোকান বসান ব্যবসায়ীরা। সড়কের মধ্যেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যানের অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলার পাশাপাশি রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত দখল করে গ্যাস সিলিন্ডার ও বালু রাখা হয়েছে। এতে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারীরা মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হন এবং নিত্যদিন শহরের মধ্যে যানজটের সৃষ্টি হয়।
পৌরশহরকে যানজটমুক্ত করতে রাস্তার পাশে বসানো দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হওয়ায় সচেতনমহল উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে অভিযানের পরপরই আগের অবস্থায় অবৈধ স্থাপনা যেন বসিয়ে না ফেলেন ব্যবসায়ীরা। সচেতনমহলের দাবি, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা এসব ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী বলেন, জনচলাচলের জন্য উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে হাজিগঞ্জ বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত দখল মুক্ত করা হয়েছে। প্রায় দুইশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর আগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়। দখল মুক্ত স্থানে কেউ পুনরায় স্থাপনা বসালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।





