ভর্তুকির সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে গত কয়েকদিন থেকে গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাংবাদিক ম্যানেজের নামে গোপন বৈঠক থেকে শুরু করে মোটা অঙ্কের টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন বিসিআইসির অভিযুক্ত টরকী বন্দরের সারের ডিলার শিশির।
জানা গেছে, গৌরনদীর সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিসিআইসির সারের ডিলার রয়েছেন ১০ জন। তারা নির্ধারিত ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ ভর্তুকির সার চলতি বোরো মৌসুমে অধিক মুনাফার জন্য কালোবাজারে অন্য জেলায় বিক্রি করছেন।
তবে কালোবাজারে সার বিক্রি ও টাকা দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সারের ডিলার শিশির বলেন, কয়েক চাষী সার ক্রয় করে ট্রলারযোগে নেয়ার সময় একটি মহল কালোবাজারে সার বিক্রির মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি, সেখানে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রহমান বলেন, বরাদ্দ সার নির্ধারিত ইউনিয়নেই বিক্রি করতে হবে। অন্য উপজেলা ও ইউনিয়নে বিক্রি করা যাবেনা। ডিলার শিশিরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সার মনিটরিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নিয়ে তার (শিশির) গোডাউন পরিদর্শন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





