টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এখন ঠাণ্ডাজনিত রোগে ভুগছে শিশু, মহিলা, বয়োবৃদ্ধসহ সকল বয়সের রোগীরা। জ্বর- সর্দি-কাশি সাথে নিয়ে করোনার আতঙ্কে দিন কাটছে প্রতিটি পরিবারের। গোবিন্দাসী গ্রামের ৪ সদস্যের পরিবার প্রধান কায়সার। গত ৭ দিন ধরে পরিবারের সবাই -জ্বর- সর্দি রোগে ভুগছেন। গাবসারাচরের নাসির উদ্দিন(২৫) ও তার পরিবারের ৩ সদস্য নিয়ে সপ্তাহখানেক যাবৎ ঠান্ডাজনিত রোগে ভুগছেন। বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাচ্ছেন তারা। শুধু কায়সার, নাসিরের পরিবার নয় এ রকম প্রায় প্রতিটি গ্রামে অধিকাংশ বাড়ীতেই করোনা উপসর্গ ঠান্ডা-জ্বরে ভুগছেন অনেকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ করেই ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়া এই সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত ভালো লক্ষণ নয়। প্রায় গ্রামেই ঘরে ঘরে এখন এ ধরনের রোগী। তাদের মধ্যে জ্বর নিয়ে কিছুটা ভীতি থাকলেও মানছেন না লকডাউন।
চিকিৎসকরা জানান, আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তারতম্যের কারণেই জ্বরসহ ঠাণ্ডা জনিত রোগ বেড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে করোনা মহামারির এই সময়ে যে কারণেই সর্দি-কাশি-জ্বর হোক না কেন, অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
উপজেলার শহরগুলোতে প্রশাসনের তৎপরতায় লকডাউন মানলেও গ্রামাঞ্চালের রাস্তার রমোড়ে মোড়ে চায়ের দোকান বা ছোট বাজারগুলোতে লকডাউনের কোনো প্রভাব পরেনি। স্বাভাবিকভাবেই চলছে জীবনযাত্রা।
এদিকে, সর্দি-কাশি-জ্বরের ওষুধ কিনতে ফার্মেসিগুলোতে রোগীদের চাপ বেড়ে গেছে। আক্রান্ত অনেকেই বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে উপসর্গের কথা বলে ওষুধ কিনে সেবন করছেন। ইতোমধ্যে অনেকে সুস্থ হয়েও উঠছেন। আবার কেউ কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়েও চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মহীউদ্দীন আহমেদ জানান, ‘উপজেলায় সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বেশিরভাগ রোগি বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। ওষুধেই ভালো হয়ে যাচ্ছেন তারা।





