ভোগান্তির আরেক নাম শ্রীরামপুর রেল-ক্রসিং

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

ভোগান্তির আরেক নাম শ্রীরামপুর রেল-ক্রসিং

  • রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০

ছবিতে দেখা জায়গাটির নাম শ্রীরামপুর রেলগেইট। যা রায়পুরার প্রধান সড়কের একটি অংশ এবং রায়পুরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। বর্তমানে রায়পুরার মানুষ এ জায়গাটির নাম শুনলে আতকে উঠে। কেননা প্রায় প্রতিদিনই যানজটের কারনে দীর্ঘসময় মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এতে জনগনের ভোগান্তি বাড়লেও কর্তৃপক্ষের নেই কোনো তদারকি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, কর্তৃপক্ষের দ্বায়িত্বে অবহেলায় এ যানজটের সৃষ্টি। কারন ব্যতিত রাস্তার পাশে অটোরিকশা, সিএনজি দাঁড়িয়ে থাকা ও অবৈধ স্থাপনা নির্মানের ফলে জনগনকে যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হয়। রেলগেট এলাকাটি উপজেলা পরিষদের নাকের ডগায় হওয়া সত্ত্বেও মিলছে না কোন সমাধান। এছাড়া রেলক্রসিংয়ের উপরের অংশের রাস্তাটি সরু হওয়ায় যানজটের মূল কারণ বলে দাবি করছে চালকেরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, বছর খানেক আগে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও রাস্তার পাশে অকারণে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশা, সিএনজির ব্যবস্থা গ্রহন করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রহস্যজনক কারনে পুনরায় আবারো তারা আগের জায়গায় এসে এ যানজটের সৃষ্টি করে চলেছে। এ যানজটের জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকেও রেলগেইট থেকে পায়ে হেঁটে উপজেলা পরিষদে যেতে দেখা গেছে। তবে এসব যানজট নিরসনে প্রায়ই রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম লিটন নিজে ক্ষনিকের জন্য রাস্তার যানজট নিরসন করতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে তা আবারো সেই আগের রূপ ধারণ করে।

এ ব্যাপারে রায়পুরা পৌরসভার মেয়র মো. জামাল মোল্লার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রেলগেইট এলাকার বাম পাশের মোড়টা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। সাথে এ যানজট নিরসনের জন্য দুইজন লোকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, রেলগেট এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এব্যাপারে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কিন্তু অবৈধ স্থাপনা ও অপ্রয়োজনে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিক্সা ও সিএনজির বিরোদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads