অপরাধ

মাজারের কোটি টাকা লুটপাট

  • এম এ বাবর
  • প্রকাশিত ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

দানের টাকা চুরি ও ওয়াকফ এস্টেটের সম্পতিতে নয়ছয় করে রাজধানীর উত্তরখানের শাহ কবির (র.) মাজারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট হচ্ছে। মাসে কয়েক লাখ টাকা আয় হলেও এখানে আয়-ব্যয়ের হিসাব নেই দীর্ঘ ১৪ বছরের।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাশালী কিছু ব্যক্তি ও মাজার কমিটি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওয়াকফ এস্টেটের এ সম্পত্তি থেকে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে। অভিযোগ দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও ওয়াকফ প্রশাসনে। স্থানীয়দের অভিযোগ এত কিছুর পরেও  বন্ধ হচ্ছে না মাজারকেন্দ্রিক অনৈতিক কর্মকাণ্ড। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয়দের তৎপরতা আর প্রশাসনের সহযোগিতায় গত বছর এ মাজারের নামে একটি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। এরপর গত দুই বছরে মাজারের সব খরচ বাদ দিয়ে ব্যাংক হিসাবে উদ্বৃত্ত রয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। অথচ এর আগে ১৪ বছরে কোনো টাকা উদ্বৃত্ত নেই। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ২০০৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাজারের একক নিয়ন্ত্রণ ছিল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিনের হাতে। পদাধিকার বলে তিনি কমিটির সদস্য নিযুক্ত হয়ে অন্য সদস্যদের মতামতকে উপেক্ষা করে সহযোগীদের নিয়ে লুটপাট চালিয়েছেন।

মাজার প্রাঙ্গণে অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে ওয়াসার পানির পাম্প, টিসিবির গোডাউন, রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক অফিস, ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় এবং মর্নিং ওয়াক ক্লাব। শুধু তাই নয়, দানের টাকা চুরির অভিযোগও ওঠেছে। মাজার এস্টেটের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ইতোমধ্যে মাজার মসজিদে হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন মাজার মসজিদের ইমাম, মাদরাসার প্রিন্সিপাল-ভাইস প্রিন্সিপালও। এই অবস্থায় শাহ কবির (র.)-এর বংশধর থেকে মাজার এস্টেটের মোতোয়াল্লি নিয়োগের দাবি ওঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাবির হাসান

বলেন, মাজারকেন্দ্রিক যে ঝামেলা চলছে সে বিষয়ে আমি অবগত। শিগগিরই বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটি ভালো সিদ্ধান্ত দেব।

এদিকে প্রমি গ্রুপের কর্ণধার ব্যবসায়ী এনামুল হাসান খান শহীদ নিজেকে শাহ কবির (র.) এর দশম বংশধর দাবি করেন। তিনি বলেন, ১৯১৬ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মাজার এস্টেটের মোতোয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আমাদের বংশের লোকজন। শাহ কবির (র.) এর বংশধর হিসেবে সবশেষ মোতয়াল্লি ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক খান। 

এদিকে মাজার পরিচালনায় ৮০ বছর কোনো অভিযোগ না থাকলেও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কৌশলে রাজ্জাক খানকে ২০০৪ সালের ৪ জানুয়ারি মোতাওয়াল্লি পদ থেকে অপসারণ করা হয়। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে অপসারণের পরই মাজার এস্টেটের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় কামাল উদ্দিনের হাতে। এরপর থেকেই লুটপাট প্রক্রিয়া শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, মাজার এস্টেটে ১১৫ টি দোকান আছে। সেখান থেকে মাসে আয় হচ্ছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। বছরে আয় হচ্ছে এক কোটি ২০ লাখ টাকা। এ আয় থেকে বছরে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা। দোকান ভাড়ার জামানত হিসেবে প্রতিটি দোকান থেকে অগ্রীম টাকা গ্রহণ করা হয়। ওই টাকার কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি।

এবিষয়ে উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কার্মকর্তা (ওসি) ও মাজার এস্টেট পরিচালনা কমিটির সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, কামাল উদ্দিন আগেও কমিটিতে ছিলেন। এখনো আমাদের সঙ্গে কমিটিতে আছেন। ২০১৮ সালে গঠিত নতুন এ কমিটি গত দুই বছরে মোটা অংকের টাকা ব্যাংকে জমা করেছে। এছাড়া লাখ লাখ টাকা ব্যায় করা হয়েছে। এর আগে ১৪ বছর যারা মাজার পরিচালনা করেছেন তাদের কাছে আয়-ব্যায়ের হিসাব চেয়েছিলাম। তারা কোনো হিসাব দিতে পারেনি। উল্টো ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঋণের কথা বলেছে। সামগ্রিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারি রয়েছে বলেও ওসি জানান।

মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী আব্দুল ওয়াছেক জানান, সারা দেশে ২০১টি তফসিলভুক্ত দরগাহ্ বা মাজারসমূহের মধ্যে এই মাজারের অবস্থান ১৮ নম্বরে। কামাল উদ্দিনের আমলে ২০০৫ সালে অপরিকল্পিতভাবে মসজিদ সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা হয়। সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় মজসজিদের ভেতর একটি কবর পড়ে যায়। ওই কবরটি বিবি সাহেবার (শাহ কবির র.-এর স্ত্রী)। মসজিদ সম্প্রসারণের সময় কবরটি সরানো যেতো। অথবা কবরের জায়গা বাদ রেখে মসজিদ সম্প্রসারণ করা যেতো। এ কবর নিয়েও বিভেদ দেখা দিয়েছে। 

তিনি জানান, সাততলা ফাউন্ডেশনবিশিষ্ট এ মসজিদের দ্বিতীয় তলার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এলাকাবসীসহ দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে এসে এই মসজিদে নামাজ পড়েন। এখন কেউ কেউ মসজিদ থেকে করব সরাতে চান।

আব্দুল ওয়াছেক আরো বলেন, কামাল উদ্দিন ছাড়াও মাজার মাদরাসার প্রিন্সিপাল এবং মসজিদের ইমাম লেহাজ উদ্দিন ও মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল বশির উদ্দিনসহ অনেকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আছে। ১৪ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে তারা উল্টা-পাল্টা কথা-বার্তা বলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা একেএম আসাদুজ্জামান জানান, ৩ একর ৪০ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত শাহ কবির (র.) মাজার। মাজার প্রাঙ্গণের পুকুর থেকে বছরে কয়েক লাখ টাকা আয় হচ্ছে। কিন্তু নামমাত্র টাকা এস্টেটের ফান্ডে জমা দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। মাজারের দান বাক্স, মসজিদের দান বাক্স এবং ওরসের দান-অনুদানের স্বচ্ছ কোনো হিসাব নেই। ২০০৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এস্টেটের হিসাব ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন ওয়াকফ প্রশাসন থেকে চাওয়া হলেও তা দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে  গত ১৬ ফেরুয়ারি ওয়াকফ প্রশাসকের কাছে দেওয়া এক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ২৬ আগস্ট নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। ব্যাংক হিসাব খোলার পর ১৬ মাসে সেখানে ২১ লাখ টাকা জমা হয়। সেই হিসেবে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা এস্টেট ফান্ডে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু ওই সময়ের কোনো টাকার হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

ওই অভিযোগে আরো বলা হয়, কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন ওয়াকফ এস্টেটের অনুমতি না নিয়ে এস্টেটের সম্পত্তিতে শতাধিক দোকান এবং সান্ধ্যকালীন বাজার বাসিয়েছেন। এসব দোকান এবং বাজার থেকে যে আয় হচ্ছে তা তিনি নিজের পকেটে নিচ্ছেন। এস্টেটের জায়গায় অপরিকল্পিত দোকান-পাট বসিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের নামে বরাদ্দ দিয়েছেন। আশ্রফ আলীর ওয়াকফ করা ৩ শতাংশ জমি এস্টেটের নামে রেকর্ড না করে কামাল উদ্দিন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আসাদ উদ্দিন ওরফে জামান উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন। এস্টেটের বার্ষিক আয় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। অথচ ২০১৬ অর্থ বছরে তা দেখানো হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজ্জাক খানকে মোতাওয়াল্লির পদ থেকে অপসারণের পর ২০০৪ সালে ৪ জানুয়ারি দুই বছরের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেয় ওয়াকফ প্রশাসন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন ওই কমিটির সদস্য মনোনীত হন।

মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। মাজারের গরু-ছাগল এবং হাঁস-মুরগি আত্মসাতের অভিযোগও উঠে তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মাজার মসজিদের নামে তিন শতাংশ সম্পত্তি মাজারের দখলে না এনে জামানের সম্পত্তির সাথে মিলিয়ে ফেলেন। ওয়াকফ্ প্রশাসন ২০০৮ সালের ১৫ জুন থেকে ২০১০ সালের ১৪ জুন পর্যন্ত দুই বছরের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি অনুমোদন দেয়। এ কমিটিতেও স্থান হয় কামাল উদ্দিনের।

এ কমিটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়সহ নানা অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের তদন্ত শেষে ওয়াকফ্ প্রশাসন জানায়, কমিটির সদস্যরা ওয়াকফ্ এস্টেট সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে পারেননি। পরে ২০১১ সালের ২০ জুন ওয়াকফ্ প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সহকারী প্রশাসক (ঢাকা বিভাগ) নুরুল আলমকে  হজরত শাহ্ কবির (র.) ওয়াকফ্ এস্টেটের নব-নিযুক্ত অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লি নিয়োগ করা হয়। ৭ দিনের মধ্যে  কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীদের নতুন মোতাওয়াল্লির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কামাল উদ্দিন দায়িত্বভার বুঝিয়ে না দিয়ে ওয়াকফ্ এস্টেটের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা করেন।

২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর ওই রিট মামলা খারিজ করে দেন আদালত। পরে কামাল উদ্দিন পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রস্তাবিত কমিটি ওয়াকফ্ প্রশাসনে জমা দিয়ে নিজেকে সভাপতি দাবি করে মাজার এস্টেটের কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকেন। ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর তিন বছর মেয়াদি সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে ওয়াকফ্ প্রশাসন। এর সভাপতি ও অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লি হলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও সদস্য সচিব সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যান্টনমেন্ট।

এদিকে মাজার এস্টেটের মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পেতে এনামুল হাসান খান শহীদ গত বছরের ২৯ অক্টোবর ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা করেছেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, শাহ্ কবির (র.)-র বংশধর থেকে মোতাওয়াল্লি নিয়োগের জন্য গত ১৪ বছরের বারবার অবেদন করা হলেও তা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। উপরন্তু অস্থায়ী ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি কমিটির অনুমোদন দিচ্ছে ওয়াকফ্ প্রশাসন।

স্বল্পমেয়াদি কমিটি অধৈভাবে লাভবান হতে মেয়াদ উত্তীর্ণের পর দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু ওয়াকফ্ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে ওয়াকফ্ এস্টেটের ক্ষতি হয়েছে। অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লি চাকরিজনিত কারণে বদলি হন। তিনি দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। এই সুযোগে কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্যের ছত্রচ্ছায়ায় সেখানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে।

শাহ কবির (র.) মাজার মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল বশির উদ্দিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে মসজিদের দান বাক্সের টাকা চুরির অভিযোগ উঠার পর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এর তদন্ত হয়। তদন্তে এখন পর্যন্ত অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। 

আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে মাজার এস্টেট পরিচালনা পরিষদের সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, আমি এখানে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করিয়েছি। এনামুল হাসান খান শহীদের নেতৃত্বে একটি পক্ষ নিজেদেরকে শাহ কবির (র.)-এর বংশধর দাবি করে মাজার দখল করতে চাচ্ছেন। তবে উন্নয়নের এ কোটি কোটি টাকা তিনি মাজার থেকেই জোগার করেছেন বলে জানান।  

এ বিষয়ে কামাল উদ্দিন বলেন, এলাকার পানির অভার দূর করার জন্য নিয়ম মেনেই এখানে পানির পাম্প বসানো হয়েছে। ন্যায্যমূল্যে এলাকাবাসীর চাল পাওয়ার সুবিধার্থে সেখানে টিসিবির জন্য একটি গোডাউন তৈরি করা হয়। সেখান থেকে এস্টেটের ফান্ডে এখন ভাড়া আসছে।

তিনি জানান, আমার বাসা নিচু এলাকায় হওয়ার কারণে এলাকাবাসীর অনুরোধে ওয়াকফ্ এস্টেটের ভেতর আমি ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় তৈরি করেছিলাম। এলাকাটি সিটি করপোরেশনর আওতায় যাওয়ার পর সেটা এখন স্থানীয় কাউন্সিলরের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখান থেকেও ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন এলাকার চেয়ারম্যান তখন এখানে শহিদুল্লাহ নামে একজন খাদেম ছিল। সে আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয়। তার বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠায় আমি তাকে বাদ দিয়ে দিই।

মাজার এস্টেটের অফিসিয়াল মোতাওয়াল্লি শাহনাজ সুলতানা বলেন, এসিডি (শিক্ষা) হিসেবে আমি পদাধিকার বলে তিন মাস আগে দায়িত্ব পেয়েছি। এরই মধ্যে বেশকিছু অভিযোগ পেয়েছি। সেগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads