মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোনার ২ জনের রায় যেকোনো দিন

সংগৃহীত ছবি

আইন-আদালত

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোনার ২ জনের রায় যেকোনো দিন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৭ মার্চ, ২০১৯

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নেত্রকোনা আটপাড়ার দুই রাজাকার হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু ও সোহরাব ফকিরের বিচার শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার উভয়পক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

এ সময় এক আসামি সোহরাব ফকির ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু পলাতক।

প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর তাপস ক্রান্তি বল। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুস শুকুর খান।

রায় অপেক্ষমাণ রাখার পর প্রসিকিউটর তাপস বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেন তিনি।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস শুকুর বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তারা বেকসুর খালাস পাবেন।

২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেয়ার আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ওই সময় আসামি ছিলেন তিনজন। তারা হলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য হেদায়েত উল্লাহ ওরফে আঞ্জু বিএসসি (৮০), এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু (৭০), সোহরাব ফকির ওরফে সোহরাব আলী ওরফে ছোরাপ আলী (৮৮)। আঞ্জু-মঞ্জু দুই ভাই। তিনজনের মধ্যে মঞ্জু ও রাজাকার ছোরাপ আটক ছিলেন। পরে ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু।

এ তিনজনের বাড়িই নেত্রকোনার আটপাড়া থানার কুলশ্রীতে। তবে আঞ্জু থাকেন রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার হেতেম খাঁ মেথরপাড়ায়। অপরদিকে ছোরাপের বসবাস ছিল একই জেলার মদন থানার জাহাঙ্গীরপুরে।

তাদের বিরুদ্ধে আটক অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, গণহত্যা এবং দেশত্যাগে বাধ্যকরণের মতো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। নেত্রকোনার আটপাড়া থানার মধুয়াখারী গ্রাম, মোবারকপুর গ্রাম, সুখারী গ্রাম এবং মদন থানার মদন গ্রামে তারা এসব অপরাধ সংগঠন করেছেন। যার ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads