মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক নারী সদস্সহ ১০ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সাথে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ আজাদ খান।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্যরা হলো, ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার মো.সেলিম মিয়া (৪৮), মালেক(২৬), মো. আলেক হোসেন (২১) সিংগাইর উপজেলার সুমা আক্তার (২৫), ধামরাই উপজেলার মোঃ খলিল মিয়া (৪০) মো. সামসুল ইসলাম (২৮), মো. সুমন ফকির (২৫), সিংগাইরের মো. মোক্তার হোসেন (৩৩), মো. সজিব মিয়া(২২) এবং রাজবাড়ির গোয়ালন্দঘাট উপজেলার মো. আইয়ুব মোল্লা (৩৪)।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খান জানান, গত ১৯ নভেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা হতে রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অজ্ঞাতনামা ৯-১০ জন ডাকাত সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের গাজিন্দা (হঠাৎপাড়া) গ্রামের সৌদি প্রবাসী জুয়েল রানার বিল্ডিংয়ের কাঠের মূল দরজা ভেঙ্গে ওই পরিবারের সকলকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও তাদের মারপিট করে ৩৩ ভরি, ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার, ২০ ভরি ওজনের ৭ জোড়া রূপার নূপুর, নগদ টাকা, সৌদি রিয়াল, মোবাইল ফোন ও টিভিসহ মোট অনুমান পঁয়ত্রিশ লক্ষ আঠার হাজার পাঁচশত টাকার মালামাল লুট করে। এ সময় পাশের বাড়ির এক প্রতিবেশি এগিয়ে আসলে তাকে দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ডাকাত সদস্যরা। এ ডাকাতির ঘটনায় প্রবাসী জুয়েল রানার স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৯-১০ ডাকাতের নামে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিংগাইর থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো সঙ্গীয় এসআই শেখ তারিকুল ইসলাম, এসআই মো. মনোহর আলীসহ অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সদের সমন্বয়ে গঠিত চৌকশ অভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডাকাত সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।





